মঙ্গলবার, ২০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১লা শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

অভয়নগরে জামানত হারালেন ১৪ চেয়ারম্যান প্রার্থী

আরো খবর

অভয়নগর প্রতিনিধি
চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে যশোরের অভয়নগর উপজেলার ৮ ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে শুভরাড়া ও বাঘুটিয়া ইউনিয়নে কয়েকটি কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ছিনতাইসহ বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে। ফলে দুই ইউনিয়নে ভোট গ্রহন ঘন্টা খানেক সময় বন্ধ থাকে। পরে প্রশাসন কেন্দ্রের অবস্থা স্বাভাবিক করে ভোট গ্রহন শুরু করেন। অভয়নগরে আটটি ইউনিয়নের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থীসহ মোট ১৪ চেয়ারম্যান প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে উপজেলার ৮টি ইউপিতে ৪০ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনের বিধিনুযায়ী মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পাওয়ায় জাতীয় পার্টি মনোনীত ২, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত ৬ ও ৬ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।
জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন ১নং প্রেমবাগ ইউনিয়নের জাতীয় পাটির্র প্রার্থী মো. ফরিদ ইসলাম(লাঙ্গল),স্বতন্ত্র প্রার্থী সুরোভী ইসলাম মোটর সাইকেল),২নং সুন্দলী ইউনিয়নের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মোঃ মোসলেম আলী গাজী (হাতপাখা),স্বতন্ত্র প্রার্থী উজ্জ্বল বিশ্বাস (মোটর সাইকেল), ৩নং চলিশিয়া ইউনিয়নের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মো. আবু সাঈদ সরদার(হাতপাখা), ৪নং পায়রা ইউনিয়নের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মো. ফজলুল হক মোল্যা (হাতপাখা), ৫নং শ্রীধরপুর ইউনিয়নের জাতীয় পাটির্র প্রার্থী মো. শাহ আলম মোল্যা (লাঙ্গল), ৬নং বাঘুটিয়া ইউনিয়নে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী আবু তাহের বিশ্বাস (হাতপাখা), ৭নং শুভরাড়া ইউনিয়নে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী জাকারিয়া হুসাইন (হাতপাখা),স্বতন্ত্র প্রার্থী মুনশী শাহজাহান আলি(টেবিল ফ্যান),এ বি এম জাকির হোসেন(আনারস), ৮নং সিদ্ধিপাশা ইউনিয়নে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মো. তরিকুল ইসলাম (হাতপাখা),স্বতন্ত্র প্রার্থী এম জি সরোয়ার ফারাজী(আনারস),শেখ আব্দুল লতিফ(চশমা)।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এস এম হাবিবুর রহমান বলেন, ‘ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন জমার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে সরকারি কোষাগারে পাঁচ হাজার টাকা করে জামানত দিতে হয়। সেই জামানতের টাকা ফেরত পেতে হলে ওই ইউনিয়নের ভোটকেন্দ্রগুলোতে মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ পেতে হয়। অভয়নগর উপজেলায় আটটি ইউনিয়নের ১৪ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী ওই পরিমাণ ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।’

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ