বেনাপোল প্রতিনিধি:-
বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। ১৯৭১সালের রনাঙ্গনের ভয়াল কালোরাত শেষে সূর্যদ্বয়ের পর পরই পাক হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে ৬ডিসেম্বর শত্রমুক্ত হয় সীমান্ত এলাকা বেনাপোল-শার্শা-কাশিপুর সহ সমগ্র যশোর এলাকা। খুন ধর্ষন অগ্নি সংযোগসহ সেদিনের সেই ভয়াল বিভিষিকা কেহ ভুলত পারেনি আজও। পাক সেনাদের সাথে দু সেতনে জামালপুর এলাকায় সন্মুখ যুদ্ধে শহীদ হন বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর মোহাম্মদ। তাকে সমাহিত করা হয় শার্শার কাশিপুর পল্লীতে। দিনটি উপলক্ষে প্রতিবছর যশোর ও বেনাপোলে মিলাদ ও আলোচনা সভার আয়োজন করে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ।
কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা সংসদ-বেনাপোল মো: শাহ আলম বলেন,রনাঙ্গনের অন্যতম স্থানছিল যশোরের শার্শা বেনাপোল কাশিপুর চৌগাছা কচুবিল,নতুনহাট সহ সীমান্ত এলাকা। মুক্তিবাহিনী ও মিত্র বাহিনীর সাথে পাকবাহিনীর সন্মুখ যুদ্ধে রক্তপাতসহ,চলে লুটপাট, অগ্নিসংযোগ। বঙ্গবন্ধুর আহব্বানে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন তারা। অনেক রক্ত ক্ষয়ের পর বিতারিত হয় শত্রু বাহিনী। ৬ডিসেম্বর মুক্ত হয় যশোর এলাকা-
বীর প্রতিক রকেট জলিলের নের্তৃত্বে মুক্তি যুদ্ধে অংশগ্রহন করে পরাস্ত করা হয় পাক বাহিনীকে। ৬ ডিসেম্বর চুড়ান্ত ভাবে বেনাপোল শার্শা কাশিপুর ছেড়ে চলে যায় পাকবাহিনী। এদিন যশোর এলকাও শত্রুমুক্ত হয়।#

