শনিবার, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৮শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

আধুনিকতার এ যুগেও ২টি উপজেলা মানুষের ভাগ করে রেখেছে শার্শার বেলতা খাল

আরো খবর

 

সেলিম রেজা, শার্শা :আধুনিকতার এ যুগেও যশোরের ঝিকরগাছা ও শার্শা ২টি উপজেলা হাজার হাজার মানুষের ভাগ করে রেখেছে বেলতা খাল। জরার্জীর্ন ভেঙে পড়া এই সাকো দিয়ে চরম ঝুকি নিয়ে চলছে মানুষেরা। পড়ছেন দুর্ভোগে। শিক্ষার্থী ও কৃষিকাজ সহ যাতায়াতে বাড়ছে ভোগান্তি।
বীর শ্রেষ্ট্র নুর মোহাম্মদের সমাধিস্থল শার্শা কাশিপুরে। এই গ্রামের পাশেই বেলতা খাল। উত্তরে চৌগাছা ও পূর্বে ঝিকরগাছা উপজেলা। পশ্চিমপাশেই শার্শার বেলতা খাল। স্থানীয়দের উদ্যোগে নির্মিত বাশ কাঠের এই সাকো দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করে হাজার হাজার মানুষ। শিক্ষা স্বাস্থ্য কৃষি যোগাযোগসহ সব ক্ষেত্রেই বেড়েছে মানুষের জীবন যাত্রার মান। তবে কাশিপুর গ্রামে বেলতা খালটি দু পারের মানুষকে ভাগ করে রেখেছে দীর্ঘদিন। জীবনের ঝুকি নিয়ে ভাঙাচোড়া সাকো দিয়ে চলাচল করছেন তারা। প্রায় সময় ঘটছে দুর্ঘটনা। নষ্ট হচ্ছে বই খাতা। রোগী ও কৃষিকাজে বাড়ছে দুর্ভোগ। রাতে চলাচল করতে পারেনা তারা। এ থেকে পরিত্রান চান ভুক্তভোগী ও স্থাণীয়রা। ডা: নুর ইসলাম বলেন বিভিন্নভাবে বিষয়টি কর্তৃপক্ষ ও জনপ্রতিনিধিকে অবগত করানো হয়েছে। তবে আশ^াস পেলেও বাস্তবে যোগ হচ্ছে ভিন্ন মাত্রা। বাড়ছে ভোগান্তি। জড়ে পড়ছে শিক্ষার্থী। দুেের্ভাগের যেন শেষ নেই। জীবনের ঝুকিনিয়ে চলছে মানুষ। দ্রুত এ থেকে পরিত্রান চান ভুক্তভোগীরা।
প্রতিনীয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা শিক্ষা স্বাস্থ্য ও কৃষিতে পড়ছে বিরুপ প্রভাব নারী শিশু বৃদ্ধ ও শিক্ষার্থীরা চলছে জীবনের ঝুকি নিয়ে-চরম দুর্ভোগে থেকে পরিত্রান চান তারা এজন্য গুরুত্বপূর্ন বেলতা খালে ব্রীজ নির্মানে ২০২০সাল থেক্ইে প্রস্তাবনা পাঠানো হচ্ছে। এ পর্যন্ত তিনবার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। ১০০মিটার ব্রীজ নির্মান দ্রুত বাস্তবায়নের আশা করেন উপজেলা প্রকৌশলী এম এ মামুন। জন দুর্ভোগ লাঘবে ৬ মাসের মধ্যে ব্রীজটির কাজ শুরুর হবে বলে আশ^স্ত করেছেন উপজেলা প্রকৌশলী অধিদপ্তর।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ