সীমান্ত প্রতিনিধি
বেনাপোল চেকপোষ্ট ইমিগ্রেশনে করোনা ওমিক্রন সংক্রমন রোধে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বেনাপোল ও পেট্টাপোল চেকপোষ্টি ইমিগ্রেশনে করোনা সার্টিফিকেট বাধ্যতামুলক করা হযেছে। প্রবেশ মুখে থার্মাল স্কানার দিয়ে তামমাত্রা দেখা হচ্ছে। পেট্টাপোল ইমিগ্রেশনে বসানো হযেছে পিসিআর ল্যাব। ফলে চেকপোষ্টে এসে যাত্রীদের বাড়ছে দুর্ভোগ
দক্ষিন আফ্রিকায় করোনা ভাইরাসের নতুন ধারন ওমিক্রন সনাক্ত হওয়ায় বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আবারও সতর্কাবস্থা জারি করা হয়েছে। বেনাপোল চেকপোষ্ট ইমিগ্রেশনে বুধবার থেকে আবারও স্বাস্থ্য কর্মিরা কাজ করতে শুরু করেছে। ভারত থেকে আসা যাত্রীদের গতিবিধি ও তামাত্রা দেখছেন তারা। যাত্রীদের শতভাগ ম্যাক্সপরা কার্য্যকর করা হয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গমনাগমনে করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট বাধ্যতামুলক করা হয়েছে।
বেনাপোল চেকপোষ্ট ইমিগ্রেশন ওসি রাজু আহম্মেদ জানান,অফিসিয়ালি কোন চিঠি পাননি । তবে করোনা সংক্রমন নতুন ধারন ওমিক্রন রোধে সতর্কতায় রয়েছেন তারা। যাত্রীদের গতিবিধি দেখছেন স্বাস্থ্য কর্মিরা।
উল্লেখ্য- পেট্টাপোল ইমিগ্রেশন সুত্রথেকে জানা গেছে। বুধবার ৫০বাংলাদেশী যাত্রীর নমুনা নেওয়া হয়েছে। এসব যাত্রীদের শরীরে করোনা পজিটিভ বা ওমিক্রন সংক্রম মিললে পরীক্ষা বাধ্যতা মুলক করা হবে। তা না হলে শিথিল হবে নমুনা সংগ্রহ।
পাসপোর্ট যাত্রী কল্পনা হালদার ও আবিদুর রহমান জানান ভারতে প্রবেশকালে লাগছে করোনা সার্টিফিকেট। নেওয়া হয়েছে নমুনা। তবে যাতায়াতে অনেকটা ঝামেলা কমেছে বলে জানান তারা। অপর যাত্রীরা জানান পেট্টাপোল চেকপোষ্ট ইমিগ্রেশন ও কাষ্টমসে বাড়ছে যাত্রীদের দীর্ঘলাইন। দুর্ভোগে পড়ছেন অসুস্ত্যরা।

