শুক্রবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৭শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

কলারোয়ায় ভয়ঙ্কর রাসেল ভাইপার সাপের আতঙ্ক

আরো খবর

কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের ভোজের বটতলা নামক স্থানে একটি চন্দ্রবোড়া সাপ মারা হয়েছে। ৬ নভেম্বর একই ইউনিয়নের চন্দনপুর গ্রামে সাহেব আলির বসত বাড়ির ভিতর থেকে আরেকটি চন্দ্রবোড়া সাপ মারা হয়। পরবর্তীতে ৭-১২ নভেম্বরের মধ্যে কায়েবা ইউনিয়নের দাঁতখালি গ্রামে ধানক্ষেত থেকে আরো দুটি চন্দ্রবোড়া সাপ মারা হয়।

এর আগে এই সাপ কলারোয়াতে দেখা মেলেনি। রাসেল’স ভাইপার সাপ কচুরিপানার উপর থাকতে ভালোবাসে। তাই হয়তো নদীর কচুরিপানার সাথে ভেসে নদীর তীরবর্তী গ্রামগুলোতে ঢুকে পড়েছে।

সাপটি কামড় দিলে ক্ষতস্থান তীব্র যন্ত্রণা করবে ও ফোসকা পড়বে। কামড়ের ১০০ মিনিটের মধ্যে এন্টিভেনাম না প্রয়োগ করলে বাঁচার সম্ভবনা নেই বললেই চলে।

সাতক্ষীরার কেউ এই সাপের কামড়ের শিকার হলে কালক্ষেপণ না করে অতি দ্রুত সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চলে যাবেন। সেখানে এন্টিভেনাম আছে। উপজেলার কোনো হাসপাতালে এন্টিভেনাম পাবেন না।

রাসেল’স ভাইপার বা চন্দ্র বোড়া ভয়ঙ্কর ও তীব্র বিষধর একটি সাপ। চাঁপাইনবাবগঞ্জ, শিবচর ও ইশ্বরদীতে এক আতঙ্কের নাম এ সাপ। প্রায়ই এই সাপের কামড়ের স্বীকার হচ্ছেন কৃষকেরা। মারাও যাচ্ছেন অনেকে। চাঁপাইনবাবগঞ্জে পাকা ধান কাটার শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। সাপের ভয়ে কৃষকেরা বুট জুতা পরে মাঠে যাচ্ছেন।

এই সাপ খুবই কম ড্রাই বাইট মারে (২০%)। এদের দাঁত দ্বিতীয় বৃহত্তম ভেনোম ফ্যাং। সাপটি একেবারে ৪০-৪৫টা ডিম দেয়।

সব থেকে আশ্চর্যের বিষয়:গত ১০০ বছরে বাংলাদেশে সাপটি দেখা না যাওয়ায় ২০০৯ সালে বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে ওঈটঘ. পরবর্তীতে ২০১২ সালে হটাৎ করে চরাঞ্চলে দেখা মেলে সাপটির। ২০১৭ সালের পর থেকে পদ্মা ও মেঘনার তীরবর্তী এলাকা বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালি, চাদপুর, লক্ষিপুর, মুন্সিগঞ্জ, কুষ্টিয়া, শরিয়তপুরের নরিয়ায়, রাজশাহী, পাবনা, নওগা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, সাতক্ষীরাসহ ২১টি জেলায় পাওয়া যায়।

 

আরো পড়ুন

সর্বশেষ