রবিবার, ১৮ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৯শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

কালীগঞ্জের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ২ জন আটক 

আরো খবর

মোঃ সোহাগ , কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি:
কালীগঞ্জের বারবাজার ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ ও তার সহযোগী সুমন হোসেনকে পিটিয়ে পুলিশে দিয়েছে জনতা। রোববার রাত ৮ টার দিকে যশোর শহরের ল্যাব এইড হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে। তার নামে কালীগঞ্জ বিএনপির অফিস ভাংচুরসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
বিকালে ছোট ভাই সুমনকে নিয়ে যশোর ল্যাব এইড হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে যান আবুল কালাম আজাদ। সে সময় ল্যাব এইড হাসপাতালে ক্ষুদ্ধ জনতা তাদের পিটিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে যশোর ডিবি পুলিশের একটি টিম রাত সাড়ে ৮ টার দিকে আবুল কালাম আজাদ ও তার ভাইকে হেফাজতে নেয়।
এ ব্যাপারে যশোর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক (অফিসার ইনচার্জ) মনজুরুল হক ভুইয়া বলেন, রাত ৮ টার পরে ল্যাব এইড হাসপাতালের সামনে স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে।
খবর পেয়ে সেখান থেকে তাকে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২০১৬ সালের ২৭ অক্টোবর কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজারের নিজ অফিস থেকে দুইটি তাজা বোমা, ১২০ বোতল ফেনসিডিল ও ২৫০ পিচ ইয়াবাসহ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ ও তার বড় ভাই আব্দুস সালাম এবং তার সহযোগি উজ্জল হোসেন, সুমন হোসেন, ও ফরহাদ হোসেনকে আটক করে ঝিনাইদহ র‌্যাব-৬ এর সদস্যরা।
২৮ অক্টোবর ঝিনাইদহ র‌্যাব-৬ এর ডিএডি জহুরুল ইসলাম বাদি হয়ে বারোবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদকে প্রধান আসামি করে মোট ৫ জনের নাম উল্লেখ করে মাদক ও বিস্ফোরক আইনে মামলাটি দায়ের করেন। জি.আর মামলা নং- ১৩৯/২০১৬।  এর ৪ দিন পর ২ নভেম্বর কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজারে চেয়ারম্যানের বাড়িতে আরেকটি অভিযান চালায় র‌্যাব।
সেখান থেকে ১ টি দেশীয় রিভলবার, ৪ টি শাটার গান, ৩ হাজার বোতল ফেনসিডিল ও ৫০০ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অভিযানকালে ইউপি চেয়ারম্যানের ভাই সোহেল রানা, সোহান ও জামাল নামের অপর এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ