বিশেষ প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরের ভালুকঘর মাদ্রাসায় অধ্যক্ষ পদে মাছিহুর রহমানের আবেদনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন গভর্ণিংবডির সদস্যরা। একই সাথে প্রার্থী বাছাইয়ে বিশ্ব বিদ্যালয়ের প্রবিধান উপেক্ষা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তারা।
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো অভিযোগ পত্রে বলা হয়েছে, ডিগ্রি পর্যায়ের মাদ্রসায় অধ্যক্ষ পদে নিয়োগের জন্য যেসব গুণাবলি বা যোগ্যতা থাকা আবশ্যক তা মাছিহুর রহমানের নেই। তাছাড়া তিনি বৈধ প্রক্রিয়ায় আবেদনও করেননি।
ইসলামি আরবি বিশ্ব বিদ্যরয়ের প্রবিধানে বলা হয়েছে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পদে থেকে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ প্রাপ্তির জন্য আবেদন করতে ইচ্ছুক হলে তাকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি ও অধ্যক্ষ পদে আবেদনের অনুমতি চেয়ে গভর্ণিং বডির সভাপতি বরাবর আবেদন করবে।
সভাপতি বিসয়টি গভণিং বডির সভায় উপস্থাপন করবেন। গভর্ণিং বডির অনুমোদন পুর্বক বিধিমোতাবেক তাকে অব্যাহতি দিবেন। এর পর তিনি অধ্যক্ষ পদে আবেদন করবেন। কিন্ত মাছিহুর রহমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পদে থেকে আবেদন করেছেন এবং সভাও আহবান করেন। যার মাধ্যমে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবিধানে ১০ এর ৩ ধারা লংঘন করা হয়েছে।
বিষয়টি গভর্ণি বডির সভায় উত্থাপন করা হলে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেস্টা করেন সভাপতি। যা নিয়ে সদস্যদের সাথে তার বাক বিতান্ডা হয়। অবশ্য ওই সভা ৩ নির্বাচিত সদস্যসহ মোট ৫ জন বয়কট করেছিলেন। তার পরও বিধি লংঘন করে মাছিহুর রহমানের আবেদ পত্র বৈধ করেছেন সভাপতি।
এবিষয়ে দাতা সদস্য ইব্রাহীম হোসেন মোল্যা বলেন, ডিগ্রি মাদ্রাসায় অধ্যক্ষ পদে নিয়োগের জন্য যেসব গুণাবলি এবং যোগ্যতা থাকা আবশ্যক তা মাছিহুর রহমানের নেই। তিনি কর্মজীবনে প্রকৃত তথ্য গোপন করে উচ্চতর স্কেল ভোগ করছেন। যা সম্প্রতি মিনিস্ট্রি অডিটে ধরা পড়ে।তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং এমপিও ভুক্তিতে নান অসঙ্গিত রয়েছে।তার পরও তাকে অধ্যক্ষ পদে বসানোর জন্য কামাল হোসেন গং তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন।
তাদের উদ্দেশ্য নিয়োগ বানিজ্য এবং অধ্যক্ষের চেয়ারে পতুল বসিয়ে নিজেদের কর্তৃত্ব বজায় রাখা। কিন্তু এলাকার সর্বশ্রেণি পেশার মানুষ চাচ্ছেন অধ্যক্ষ পদে যোগ্য প্রার্থী নিয়োগ হোক। তবে অবশ্যই তা বিতর্কিত সভাপতির মাধমে নয়। বৈধ সভাপতির মাধ্যমে বিধিমোতাবেক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

