কেশবপুর প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরের ভালুকঘর মাদ্রাসায় গোপনে নিয়োগ বন্ধে এবার আদালতে দ্বারস্থ হলেন গভর্ণিংবডির দাতা সদস্য ইব্রাহীম হোসেন মোল্যা। তিনি কমিটির সভাপতি এবং ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ নিয়োগ প্রক্রিয়ার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। বৃহস্পতিবার যশোর সহকারী জজ আদালতে মামলাটি দায়ের হয়। বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে সমন জারি করেছেন।
মামলার বাদী ইব্রাহীম হোসেন মোল্যা জানান, তিনি বিভিন্ন মাধ্যমে জান্তে পেরেছেন মোটা দাগে অর্থ বানিজ্য করার জন্য সভাপতি ও তার তলপিবাহকরা তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন। যে কোন দিন তারা নিয়োগ বোড করবে এমন আভাস পাওয়ার পর তিনি আদলতের স্মরনাপন্ন হয়েছেন।
মামলায় তিনি উল্লেখ করেছেন গোপনে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে সৎ যোগ্য চাকরি প্রত্যাশিরা ক্ষতিগ্রস্থ হবেন। অবৈধ প্রক্রিয়ায় অযোগ্য লোকদের নিয়োগ দিলে প্রতিষ্ঠানও ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
মামলায় ইব্রাহীম হোসেন ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যায় থেকে ২৪/০৮/২০২৩ তারিখে জারিকৃত ১১৫৯৬ নং স্মারক সন্বলিত চিঠির শর্ত ভঙ্গ করায় গভণিংবডি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। তার দাবি কমিটির সভাপতিসহ ৫ জন সদস্য অবৈধ এবং তারা দুর্নীতিসহ নানা অপকর্মে জড়িত। তাদের কারণে প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মান তলানিতে নেমে এসেছে।
ইব্রাহীম হোসেন জানান, তার উপস্থিতিতে গভর্ণিং বডির সর্বশেষ সভায় প্রতিষ্ঠানের সকল শুন্যপদে এক সঙ্গে নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। পরে জানলাম উপাধ্যক্ষ পদ বাদ রেখে কর্মচারী নিয়োগের প্রক্রিয়া চুড়ান্ত করা হয়েছে। গুরুত্বপুর্ণ প্রশাসনিক পদ বাদ রেখে কেন কর্মচারী নিয়োগ দেয়া হচ্ছে জানতে চাইলে সভাপতি তার কোন উত্তর দেননি।
মামলার বিষয়ে আইনজীবী আনসার আলী জানান,ইব্রাহীম হোসেনের মামলাটি আদালত আমলে নেয়ার পর নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কোন সুযোগ নেই। যে হেতু বিষয়টি বিরোধপূর্ণ এবং অভিযোগকারী ওই কমিটির দাতা সদস্য যা আদালত আমলে নিয়েছে। সেহেতু আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্ত পর্যন্ত তাদের অপেক্ষা করতে হবে। তা না মানলে তারা আদালত অবমাননার দায়ে দোষী সাব্যেস্থ হবেন।
উল্লেখ্য কমিটি গঠনের পর থেকে গভণিং বডির সভাপতিকে অবৈধ দাবি করে সভা বয়কট করে আসছেন নির্বাচিত অভিভাবক সদস্যরা। সর্বশেষ অভিভাবক স্যদের সাথে যোগ দিয়েছেন দাতা সদস্য ইব্রাহীম হোসেন। তাদের দাবি কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে সভাপতি ও বিদ্যোৎসাহী সদস্য মনোনয়ন নেয়া হয়েছে। যা প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ।
এসংক্রান্ত অভিযোগ ইসলামিক আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানান ইব্রাহীম হোসেন।

