কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি:
কেশবপুরে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জমি দখল করে ঘর নির্মাণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় দুই জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কুশুলদিয়া গ্রামের শক্তিপদ দেবনাথের ছেলে মিঠুন দেবনাথের বসতবাড়ির পাশে ৫ শতক জমি রয়েছে। ১৯৮৮ সালের মাঠ জরিপের সময় ওই জমি ভুলবশত প্রতিবেশী কৃষ্ণরঞ্জন দেবনাথ গংদের নামে হাল রেকর্ড হয়। এনিয়ে যশোর আদালতে দেওয়ানি মামলা চলমান থাকায় অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলবদ রয়েছে। যার নং- ২২/২৩।
গত ৫ মার্চ ভোরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মজিদপুর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোজাফফার হোসেন প্রতিপক্ষ কুশুলদিয়া গ্রামের নুরুল ইসলাম রিপনের সাথে যোগসাজশে ২০/২৫ জন দূর্বৃত্ত নিয়ে ওই জমি জবর দখল করে টিনের ঘর নির্মাণ করতে থাকে। এসময় মিঠুন দেবনাথের পরিবার বাধা দিতে গেলে তাদেরকে মারপিট করে গ্রামছাড়ার হুমকি দেয়া হয়। যে কারণে তার বৃদ্ধ বাবা শক্তিপদ দেবনাথ বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে বলে মিঠুন দেবনাথের অভিযোগ। এঘটনায় ৬ মার্চ মিঠুন দেবনাথ বাদি হয়ে মজিদপুর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোজাফফার হোসেন ও কুশুলদিয়া গ্রামের নুরুল ইসলাম রিপনকে আসামী করে থানায় অভিযোগ করেছেন।
এব্যাপারে প্রতিপক্ষ নুরুল ইসলাম রিপন বলেন, প্রতিবেশী কৃষ্ণরঞ্জন দেবনাথগংদের কাছ থেকে আমি ৪.৭৫ শতক জমি এওয়াজমূলে নিয়েছি। সেই জমিতে বসতবাড়ির নির্মাণ কাজ চলছে। কৃষ্ণ রঞ্জন দেবনাথগং বলেন, ওই জমির প্রকৃত মালিক মিঠুন দেবনাথের পরিবার। ভুলবশত তাদের নামে হাল রেকর্ড হয়। যা নিয়ে আদালতে রেকর্ড সংশোধনী মামলা চলমান রয়েছে।
মজিদপুর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোজাফফার হোসেন বলেন, প্রতিপক্ষ নুরুল ইসলাম রিপনের এওয়াজ করা জমিতে ঘর নির্মাণ করে দখল বুঝে দেয়া হয়েছে।
কেশবপুর থানার এসআই লুৎফর রহমান বলেন, মিঠুন দেবনাথের অভিযোগ পেয়েই ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে এরিপোর্ট লেখার সময়ে ঘরনির্মাণ কাজ অব্যাহত ছিল।

