কেশবপুর প্রতিনিধি: কেশবপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহরের কেশবপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় চত্বরে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ছাড়া সন্ধ্যায় কেশবপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের যুদ্ধাভাসানে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আরিফুজ্জামান, উপজেলা কৃষি অফিসার ঋতুরাজ সরকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী ও কৃষ্ণপদ দাস, অধ্যক্ষ আসাদুজ্জামান, প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান, খেলাঘর আসরের আহবায়ক আব্দুল মজিদ প্রমুখ।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী ও কৃষ্ণপদ দাস স্মৃতিচারণকালে বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় কেশবপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ছিল পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকারদের শক্ত ঘাঁটি। এখানে সে সময় মুক্তিযোদ্ধা এবং তাঁদের সহয়তাকারীসহ নিরীহ মানুষদের ধরে এনে টর্চার সেলে নির্মম নির্যাতন করা হতো। নির্যাতনে অনেকে মারাও গেছেন। আবার অনেককে উপজেলার মঙ্গলকোট ব্রিজের মাথায় নিয়ে গিয়ে মেরে ফেলা হতো। বীর মুক্তিযোদ্ধারা ৭ ডিসেম্বর কেশবপুরে প্রবেশকালে পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকাররা এখান থেকে পালিয়ে যায়।
এর আগে সকালে কেশবপুর শিশু একাডেমির উদ্যোগে শিশুদের মুক্তিযুদ্ধভিক্তিক চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া সন্ধ্যায় কেশবপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের যুদ্ধাভাসানে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন প্রমুখ।

