কেশবপুর প্রতিনিধি: অতি বৃষ্টির কারনে নদীর উপচে পড়া পানিতে কেশবপুর পৌরসভার সাত হাজার পরিবারের প্রায় চার হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
বদ্ধ পানি বাড়িঘরে মধ্যে ঢুকে পড়ায় বাঁধ্য হয়ে ব্যস্ত সড়কের পাশে টংঘর বানিয়ে আশ্রয় নিয়েছে অসংখ্য গরীব পরিবার। আর এর প্রভাবে বিপাকে পড়েছেন হাজারো মানুষ। প্রতিদল বৃষ্টির কারনে পানিবদ্ধতার পানি বৃদ্ধি পাওয়া অব্যাহত থাকায় আরও পরিবার পানিবন্দি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ইতোমধ্যে কেশবপুর পৌরশহরের প্রধান প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা দীর্ঘ দিন পনিতে তলিয়ে থাকার ব্যবসা বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়েছে।

কেশবপুর প্রতিবছর ৬কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করে থাকেন। কেশবপুরের মানবিক বিপর্যয় এড়াতে কেশবপুর উপজেলা পরিষদের আয়োজনে সৃষ্ট পানিবদ্ধতা নিরসনে সরকারী বে-সরকারী প্রতিষ্ঠান প্রধানসহ রাজনৈতিক দলের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন বৃহস্পতিবার ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা খাতুন।
উক্ত মতবিনিময়ে অংশ নেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হোসেন আজাদ, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক মোক্তার আলী, হরি-ঘ্যাংরাইল অববাহিকার জলাবদ্ধতা নিরসন কমিটির সভাপতি বা”পাউবো”র সাবেক সদস্য বিএনপি নেতা মহির উদ্দিন বিশ্বাস, চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা বাবু,জামায়াতে ইসলামী পৌর শাখার সভাপতি জাকির হোসেন, পাঁজিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান মাষ্টার মকবুল হোসেন মুকুলসহ উপজেলার পানিবদ্ধ এলাকার সুধীজন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের এস ডি ই সুমন শিকদার।
সভায় দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য আগামী শনিবার নৌকাযোগে উপজেলার গৌরিঘোনার কাশিমপুর থেকে মঙ্গলকোট ইউনিয়নের বড়েঙ্গা অভিমুখে সরেজমিন পরিদর্শন শেষে পানি নিষ্কাশনের পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

