সেলিম রেজা,শার্শা প্রতিনিধি:-
ঘন কুয়াশা কনকনে ঠান্ডা ও জাওয়াদের প্রভাবে টানা তিনদিনের বৃষ্টিতে শার্শা ও বেনাপোলে রবি শস্যেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রায় ৬০শতাংশ জমির মসুরী ও সরিষা খেত পানিতে তলিয়ে বিনষ্ট হয়েছে। তলিয়ে গেছে সবজি ও ডালজাতীয় শস্যখেত। দিশেহারা হয়ে পড়েছে কৃষকেরা। তবে পানি নেমে গেলে নতুন করে সরিষাচাষে পরামর্শ ও সহযোগিতার আশ^াস দিয়েছেন কৃষি বিভাগ।
শার্শা উপজেলার বেনাপোল,পুটখালী,বাহাদুরপুর,শিকড়ি-খলসি,অগ্রভুলোট,গোগা,কায়বা,বাগআঁচড়া বিস্তীর্ন এলাকার নিন্মাঞ্চলের অধিকাংশ সরিষা মুসরী ও সবজিখেত ক্ষতিগ্রস্ত হযেছে। উপজেলায় ২৮হাজার বিঘা জমিতে মুসরী ও সরিষা চাষ হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১৬হাজার বিঘা মুসরী ও সরিষা খেত পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্ষা থামলেও যতদিন যাচ্ছে ততই সরিষা খেত নষ্ট হচ্ছে। মসুরীখেত যাচ্ছে লাল হয়ে। ধান ও সবজি চাষীরা পড়েছেন দুর্ভোগে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এলাকার কৃষকেরা। দায়দেনা করে চাষ কলে সর্বশান্ত হয়ে পড়ার আশংকা করছেন চাষীরা। হতাশা ও উৎকন্ঠার মধ্যে দিনযাপন করছেন তারা। সরকারি সহযোগিতা কামনা করেন ক্ষতিগ্রস্ত চাষীরা
কৃষক আরব আলী ফজের আলী শওকত আলী ও কৃষানি মনিরা বেগম বলেন,সংসারের প্রয়োজনে অর্থকষ্ট লাঘবে চাষ করছেন তারা। টানা কয়েকদিনের পানিতে তাদের স্বপ্ন ধুসর হয়ে গেছে। সার বীজ খরচ করে নতুন করে এরসব আবাদ করা কষ্ট হয়ে যাবে তাদের। এজন্য সরকারের সহযোগিতা চান তারা। ঘন কুয়াশা ও শীতে কিছু মুসরীখেত নষ্ট হলেও পানিতে নষ্ট হয়েছে অধিকাংশ জমি।
পানিতে বেশীরভাগ জমির সরিষা মুসুরী ও সবজির ক্ষতি হযেছে। আবাদি জমি থেকে পানি নিষ্কাশন সহ নতুন করে সরিষা চাষে পরামশ ও ক্ষতিগস্ত চাষীদের সহযোগিতার আশ^াস দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা সৌতম কুমার শীল।
উপজেলায় ২৮৪০ হেক্টর সরিষা এবং ৮৩০ হেক্টর জমিতে মসুরের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ৬০শতাংশ জমির সরিষা ও মুসুরী খেত নষ্ট হয়েছে বলে জানায় কৃষি অধিদপ্তর। তবে পানি টেনে গেলে অনেক মুসরী ও সরিষা ভাল হওয়ায় আশা করেন সংশ্লিষ্টরা।
বেনাপোলের লাাবলু রহমান শওকত আলী বলেন,খরিদচাষে কৃষকেরা দেখেন লাভের মুখ তেল ও ডাউলের চাহিদা মেটে। বর্ষায় এসব ফসলের ক্ষতি হওয়ায় প্রভাব পড়বে বাজারে। চাষীরা হবে ক্ষতিগ্রস্ত। জলাবন্ধতা রোধে এলাকার ভেড়ীবাধ উচ্ছেদ করে পনি নিষ্কাশনের ব্যাবস্থা করলেই স্থায়ীভাবে উপকৃত হবেন চাষীরা। #
ঘন কুয়াশা কনকনে ঠান্ডা ও জাওয়াদের প্রভাবে শার্শায় ১৬হাজার বিঘা মসুরী ও সরিষা খেত বিনষ্ট

