সোমবার, ১৯শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ৩০শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

চাঞ্চল্যকর শিশু শর্মীলা ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড

আরো খবর

চাঞ্চল্যকর শিশু শর্মীলা ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড

যশোরের চৌগাছায় চাঞ্চল্যকর শিশু শর্মীলা ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে একজনকে মৃত্যুদ- ও একলাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার যশোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুাল-২ এর বিচারক ( জেলা ও দায়রা জজ) নীলুফার শিরিন এই দ- ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুাল’র স্পেশাল পিপি মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃতুদ-প্রাপ্ত তজিবর রহমান (৫০) চৌগাছা উপজেলার ফকিরাবাদ এলাকার বাসিন্দা ও মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বিলধলা রামকৃষ্ণপুর এলাকার দবির উদ্দিন দরবার আলীর ছেলে। ধর্ষণ ও হত্যাকা-ের শিকার শর্মীলা খাতুন (৯) চৌগাছা উপজেলার ফকিরাবাদ গ্রামের হাফিজুর রহমান কালুর মেয়ে ও হাকিমপুর নূরানী মাদরাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২২ জুন সন্ধ্যায় চৗগাছা উপজেলার ফকিরাবাদ এলাকার বাসিন্দা হাফিজুর রহমান কালুর মেয়ে শর্মীলা খাতুন প্রতিবেশি তৈমুর হোসেন খান’র আম বাগানে আম কুড়াতে যায়। সন্ধ্যা পার হয়ে রাতেও মেয়ে বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা খোজাখুজি করেন।
২৬ জুন সন্ধ্যায় তারা জানতে পারেন যে, পাশেই হামিকপুর গ্রামের জামান মৃধা’র আম বাগানে একটি পঁচাগলা মৃতদেহ পড়ে আছে। সংবাদ পেয়ে তারা মৃতদেহ দেখতে পান। পরবর্তীতে হাসপাতালে শর্মীলা খাতুনের পরিহিত লাল ঘটি হাফ প্যান্ট, হাত এবং পায়ের পাতা দেখে মৃতদেহ সনাক্ত করেন।

এ ঘটনায় আটক আসামি তজিবর রহমান পুলিশের কাছে স্বীকার করে তার যৌনকার্য চরিতার্থ করার লক্ষে গামছা দিয়ে মুখ চেপে ধরলে শর্মীলা খাতুন মারা যায়। হত্যার পর মৃতদেহ মেহগনি গাছের পাতা দিয়ে ঢেকে রাখেন। পরবর্তীতে হাফিজুর রহমান কালু বাদী হয়ে ২৭ জুন চৌগাছা থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামি তজিবর রহমানের বিরুদ্ধে ওই বছরই ৬ সেপ্টেম্বর চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামি তজিবর রহমান দোষী প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে মৃত্যুদ- এবং একলাখ টাকা জরিমানা করেন

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ