সোমবার, ১৯শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ৩০শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

চৌগাছায় একদিনে ২য় ডোজ টিকা পেলেন ১২ হাজার

আরো খবর

শ্যামল দত্ত(যশোর) চৌগাছা থেকেঃ
যশোরের চৌগাছায় চার ইউনিয়নের ১২ কমিউনিটি ক্লিনিক ও একটি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে করোনা টিকার ২য় ডোজ দেয়া হয়েছে ১২ হাজার ৩০০ ব্যক্তিকে। মঙ্গলবার সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে স্বাস্থ্যকর্মীরা এই টিকা প্রদান করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, হাকিমপুর ইউনয়িনের স্বরুপপুর ও যাত্রাপুর কমিউনিটি ক্লিনিক, স্বরুপদাহ ইউয়িনের খড়িঞ্চা, দিঘড়ী ও হিজলী কমিউনিটি ক্লিনিক, সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের বর্ণি, বল্লভপুর, আন্দুলিয়া ও রামকৃষ্ণপুর কমিউনিটি ক্লিনিক, নারায়নপুর ইউনিয়নের হাজরাখানা, বড়খানপুর ও চাঁদাপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিক এবং নারায়নপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে করোনা গণটিকার ২য় ডোজ প্রদান করা হয়।
হাজরাখানা কমিউনিটি ক্লিনিকে টিকা নেয়া গ্রামের ইউপি সদস্য মনিরুজ্জামান মিলন বলেন, ৬ নভেম্বর কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে টিকার ১ম ডোজ নিয়েছিলাম। আজ ২য় ডোজ নিয়েছি। গ্রামে এসে টিকা দেয়ায় গ্রামের গরীব ও বৃদ্ধসহ সবার টিকা নিতে সহজ হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোছাঃ লুৎফুন্নাহার বলেন, গত ৬ নভেম্বর উপজেলার চারটি ইউনিয়নের ১২টি কমিউনিটি ক্লিনিক ও একটি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ১২ হাজার ৩০০ ব্যক্তিকে করোনা টিকার প্রথম ডোজ দেয়া হয়। মঙ্গলবার তাঁদেরকে ২য় ডোজ টিকা প্রদান করা হয়েছে।

চৌগাছায় একদিনে বোরো বীজের দাম চারগুণ!

চৌগাছা প্রতিনিধি
যশোরের চৌগাছায় বোরো বীজের দাম একদিনে বেড়ে দ্বিগুণ থেকে চারগুণ বেশি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন চাষীরা। তাদের অভিযোগ ঘুর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে টানা তিনদিন বর্ষণে এলকার অধিকাংশ বোরো বীজতলা পনি জমে নষ্ঠ হয়ে গেছে। ফলে চাষীরা নতুন করে বীজতলা করার জন্য বীজ ক্রয় করতে বাধ্য হচ্ছেন। আর এরই সুযোগ গ্রহণ করছেন বীজ ব্যবসায়ীরা।
সোমবার বিকেল থেকে বর্ষণ কিছুটা কমলেই উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে চাষীরা চৌগাছা শহরে বীজের দোকানে ভীড় করতে থাকেন। এতে ব্যবসায়ীরা ক্ষণেক্ষণে বীজের দাম বাড়িয়ে দিতে থাকেন।
চাঁদপাড়া গ্রামের চুন্নু মিয়া বলেন, প্রথম দিকে বিভিন্ন জাতের শুভলতা, স্বর্ণ ধানের বীজের দাম ছিল ৩৪/৩৫ থেকে চল্লিশ টাকা। সেই বীজ আজ কিনতে হচ্ছে ১৫০ টাকা করে কেজি।
পেটভরা গ্রামের জাকির হোসেন আঠারো কেজি মিনিকেট ধানের পাতো দিয়েছিলাম (বীজতলা)। সব বৃষ্টিতে ভেসে গেছে। বাড়ির বীজ ছিলো। তখন দাম সত্তর টাকার বেশি ছিলো না। এখন বাজার থেকে ফের কিনতে হচ্ছে। আজ বাজারে যার দাম প্রতিকেজি ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা।
বড়খানপুর গ্রামের ওয়াজেদ আলী বলেন, দোকানিরা ঘন্টায় ঘন্টায় বোরো বীজের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। তিনি বলেন আমি শহরের আলীয়া মাদরাসা সড়কে বীজের দোকানে যখন প্রবেশ করি তখন তাঁরা ১৩০ টাকা কেজি। তখন দোকানে অনেক ভীড়। আমি সিরিয়ালে পড়তেই তাঁরা দাম চাইলেন ১৫০টাকা কেজি।
উপজেলার স্বরুপদাহ গ্রামের ফশিউজ্জামান বলেন, আমি বাসমতি ধানের বীজ এক কেজির প্যাকেট কিনেছিলাম ১৯০টাকা করে। গতকালও বাজারে এই দামই ছিল। আজ সে বীজের দাম ২৮০ থেকে ৩০০টাকা চাচ্ছেন দোকানিরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী দাম বেশির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, হঠাৎ করে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় অন্যদের মতো আমরাও বেশি দামে বিক্রি করছি।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ