অনুষ্ঠানে প্রধান আলোকের আলোচনা করেন কলেজের অধ্যক্ষ রেজাউর রহমান।
প্রভাষক শাহিন আলমের পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন কলেজের উপাধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, প্রেসক্লাব চৌগাছার সভাপতি ও জিসিবি আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ আবু জাফর, মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামাল আহমেদ।
অভিভাবকদের মধ্যে বক্তৃতা করেন, প্রেসক্লাব চৌগাছার সহ সভাপতি রহিদুল ইসলাম খান, আসমা খাতুন, আবুল কাসেম, শুকুর আলী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী অভিভাবক শফি মল্লীক ফেরদৌসী খাতুন, প্রমুখ।
প্রধান আলোচক কলেজের অধ্যক্ষ রেজাউর রহমান বলেন, মা একটি ছোট শব্দ হলেও মায়ের কাছে একজন সন্তান পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সম্পদ, তেমনি একজন সন্তানের কাছে মা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শিক্ষক। মা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, মা একটি জীবন, মা একটি পৃথিবী, মা তার সন্তানের জন্য ইহকাল, পরকাল। একজন সুশিক্ষিত মা পারেন একটি শিক্ষিত জাতির জন্ম দিতে। শিক্ষার মান উন্নয়নে মায়েদের ভুমিকা অনেক বেশি।
অধ্যক্ষ আবু জাফর অভিভাবকদের উদ্দেশ্য বলেন, বাবারা সন্ধ্যায় চায়ের দোকানে সময় না কাটিয়ে এবং মায়েরা টিভিতে ইন্ডিয়ান ছিরিয়াল কিংবা বেশি মোবাইল ঘাটাঘাটি না করে সন্তানের পাশে বসে লেখাপড়া তদরকি করারা পরামর্শ দেন।
অভিভাবকের বক্তৃতায় রহিদুল ইসলাম খান বলেন, শিক্ষার্থীদের শিক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্ব প্রদানে অভিভাবকদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। শিক্ষকদেরও খেয়াল রাখতে হবে শিক্ষার্থীরা ক্লাস ফাঁকি দিচ্ছে কিনা।
অন্য অভিভাবকরা বলেন, সরকারি কলেজে ক্লাস হবেনা এটা হতে পারেনা। সকল শিক্ষার্থীদেরকে ক্লাসে উপস্থিত রাখা নিশ্চিত করতে কলেজের অধ্যক্ষকে ব্যবস্থা নিতে আহবান করেন।
অনেকেই বলেন, শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় ফাঁকি দেয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, ইউটিউব ও ইন্টারনেট। শিক্ষার্থীরা এসব দিকে অতিমাত্রায় আকৃষ্ট হয়ে পড়ার কারণে লেখাপড়ায় অমনোযোগি হয়ে পড়ছে কিনা এবং এর কুফল সম্পর্কে জানানো কথা বলা হয়।
শিক্ষকরা বক্তৃতায় বলেন, প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বাড়িতে লেখাপড়া করছে কিনা সেদিকেও অভিভাবকদের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। শিক্ষকরা আরও বলেন, কিছুদিন পরপর শিক্ষার্থীদের বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের নিকট অভিভাবকদের খবরাখবর নিতে হবে এবং লেখাপড়ার বিষয়ে খবরাখবর নেয়ার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান।

