শুক্রবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৭শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

ছাতিয়ানতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ নিয়ে তোলপাড়, মাঠে মেমেছে তদন্ত কমিটি

আরো খবর

নিজস্ব প্রতিবেদক:
যশোরে ছাতিয়ানতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির
অভিযোগ নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় চলছে। এলঅকারবাসীর মধ্যে সৃস্টি হয়েছে বিরুপ প্রতিক্রীয়া। তারা অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন। এদিকে ঘটনা তদন্তে মাঠে নেমেছে কমিটি। অভিযোগ তদন্ত করার জন্য ২ নভেম্বর জ্যেষ্ঠ শিক আলেয়া খাতুনকে প্রধান করে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। অন্য ৪ জন হলেন বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সবিতা হাজরা, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আব্দুর রহমান, শহিদ হোসেন ও স্মৃতি রানী। আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এই তথ্য নিশ্চিত করে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, তদন্ত প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত শিক শিমুল হোসেনকে বিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
স্কুল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ অক্টোবর শিমুল হোসেন ৯ম শ্রেণির বাংলা বিষয়ে কাস নিচ্ছিলেন। এসময় পাঠ্যসূচিতে থাকা বহিপীর নাটকের চরিত্র শেখানোর সময় তিনি ছাত্রীর যৌন হয়রানি করেন। এতে ছাত্রীরা বিব্রত হলেও সম্মানের ভয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি। এ ঘটনায় ৩০ অক্টোবর ভুক্তভোগী ছাত্রী ও তাদের সহপাঠীরা প্রধান শিকের কাছে লিখিত অভিযোগ করে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক ফজলুর রহমান জানান, যৌন হয়রানির অভিযোগে নবম শ্রেণির ৩০ ছাত্রীর লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাটি ম্যানেজিং কমিটিকে জানানো হয়। বিষয়টি নিয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর স্কুলে জরুরি সভা করা হয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে তদন্ত কমিটি গঠন করাসহ নানা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, যৌন হয়রানির লিখিত অভিযোগ পাওয়ার ঘটনা শুনে কমিটির অন্য সদস্যদের সাথে তাৎণিকভাবে অবগত করা হয়। বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনায় বসেন তারা। তিনি ছাড়াও সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক ফজলুর রহমান, শিানুরাগী মোফাজ্জেল হোসেন, অভিভাবক সদস্য আব্দুর রহমান, শহিদ হোসেন, স্মৃতি রানীসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ শিক। সকলের মতামতের ভিত্তিতে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে। তদন্তে যৌন হয়রানীর অভিযোগের সত্যতা মিললে শিক শিমুল হোসেনের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, আগামী ১০ দিন কাসসহ বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে শিক শিমুল হোসেন জানান, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ