থানা দেওয়া লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই মাদরাসায় মোট ৫৫ জন ছাত্রী লেখাপড়া করে। তার মধ্যে ৫০ জন ছাত্রী মাদরাসার আবাসিকে রয়েছে।
মাদরাসা কর্তৃপক্ষ অন্য চার শিক্ষার্থীর বাসায় খোঁজ নেয়।
নিখোঁজ এক ছাত্রীর চাচাতো ভাই শামীম হোসেন বলেন, ‘আমার চাচাতো বোন মাদরাসায় পড়ত। সে হঠাৎ করেই মাদরাসা থেকে নিখোঁজ হয়েছে বলে আমাদের জানানো হয়েছে।’
নিখোঁজ আর এক ছাত্রীর ভাই হৃদয় হাসান বলেন, ‘এই মাদরাসায় কোনো নিরাপত্তা নেই, সেটি আমরা জানতাম না। আজকে সকালে মাদরাসা থেকে বোনকে না পাওয়ার বিষয়টি ফোনে জানানো হয়েছে। আমার বোনসহ পাঁচজন আজকেই নাকি আগে চলে গেছে তা নিয়ে সন্দেহ আছে।
মাদরাসার পরিচালক ফিরোজ হোসেন বলেন, ‘আমার মেয়ে মোছা. কামরুন্নাহার শিমু মাদরাসার প্রধান শিক্ষক। শুক্রবার ভোরে মাদরাসার আবাসিকের পাঁচ শিক্ষার্থীর খোঁজ পাচ্ছে না বলে জানিয়েছে। এর মধ্যে আমার মেয়েও রয়েছে। মাদরাসায় গিয়ে নিখোঁজ পাঁচ শিক্ষার্থীর মধ্যে তিনজনের বাক্সে চিররকুট পেয়েছি। তিনটি চিরকুটে লেখা প্রায় অভিন্ন।’
একজন লিখেছে, ‘প্রিয় মা-বাবা, তোমাদের কষ্ট হচ্ছে। আমরা তোমাদের কষ্ট দিতে চাই না। এ কারণে চলে যাচ্ছি। আমরা আবার ফিরে আসব।’
মাদরাসার পাঁচ শিক্ষার্থী নিখোঁজের ঘটনায় কালাই থানায় একটি অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হিসেবে নিয়েছে।
কালাই থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াসিম আল বারি বলেন, নিখোঁজের বিষয়ে জিডি হয়েছে। বিষয়টি আইনগতভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।(সূত্র: কালের কন্ঠ)

