কালীগঞ্জ(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধি:ঝিনাইদহের সদর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্ররুপের সংঘর্ষে হযরত আলী ও সীমা খাঁন নামে দুই ব্যক্তি মারাত্বভাবে জখম হয়েছেন। আহত হযরত আলী খড়াশুনী গ্রামের লিয়াকত আলীর ছেলে ও সীমা খাঁন একই গ্রামের মৃত শফিউদ্দীন বিশ^াসের ছেলে। রবিবার (১৩ আগষ্ট) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতদের ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ভর্তি করা হয়েছে। তবে সীমা খানের অবস্থা আশঙ্কাজন বলে জানা গেছে। এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,সন্ধ্যার দিকে নলডাঙ্গা বাজার থেকে হযরত ও সীমা খাঁন দোকান বন্ধ করে ভ্যানে করে বাড়ি যাচ্ছিল। পথিমধ্যে শাসমুল আলম খাঁন দাখিল মাদ্রাসার সামনে গেলে ওত পেতে থাকা ১০/১২ জন সন্ত্রাসী তাদের উপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে পালিয়ে যায়। এতে করে হযরতের হাত,পা ও মাথা ও শরীরের বিভিন্ন জায়গা মারাত্বকভাবে জখম হয়েছে। অপরদিকে সীমা খাঁনের ডান হাত ভেঙ্গে গেছে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্বক জখমের চিহ্ন রয়েছে। নলডাঙ্গা ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচনের পর থেকেই রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজ করছে।
বিশেষ করে আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দু’গ্ররুপের মধ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রকটরুপ ধারন করেছে। ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ সোহেল রানা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোন মামলা এবং কাউকে আটক করা হয়নি বলেও জানান তিনি।

