মনিরামপুর প্রতিনিধি:
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজেলা মণিরামপুর উপজেলা প্রশাসনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিশাত তামান্না’র কার্যালয়ের ভবনটি ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। নিচতলায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার এবং উপরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিশাত তামান্না এই ২ জন ১ম শ্রেণীর কর্মকর্তা সহ ২টি দপ্তরে মোট ৪৯ জন সেবাদানকারী কর্মকর্তা -কর্মচারী ঝুকিপূর্ণ ভাবে করে চলেছেন দৈনিক অফিসিয়াল কার্যক্রম। গুরুত্বপূর্ণ ২টি দপ্তরে সেবা নিতে উপজেলার বিভিন্ন এলকা থেকে আসা দৈনিক গড় হিসাবে ১৮০০-২০০০ জন সাধারণ সেবা গ্রহীতারাও যে কোন মুহূর্তে জরাজীর্ণ এ ভবনটি ধ্বসের কবলে পড়তে পারে। মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসের নাজির শাহিনুর রহমান শাহিন জানান, ভবনে বেশি চাপ পড়ে বুধবার গণশুনানির ধার্য্যকৃত দিনে।
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজেলা মণিরামপুর উপজেলা প্রশাসনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিশাত তামান্না’র কার্যালয়ের ভবনটি ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। নিচতলায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার এবং উপরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিশাত তামান্না এই ২ জন ১ম শ্রেণীর কর্মকর্তা সহ ২টি দপ্তরে মোট ৪৯ জন সেবাদানকারী কর্মকর্তা -কর্মচারী ঝুকিপূর্ণ ভাবে করে চলেছেন দৈনিক অফিসিয়াল কার্যক্রম। গুরুত্বপূর্ণ ২টি দপ্তরে সেবা নিতে উপজেলার বিভিন্ন এলকা থেকে আসা দৈনিক গড় হিসাবে ১৮০০-২০০০ জন সাধারণ সেবা গ্রহীতারাও যে কোন মুহূর্তে জরাজীর্ণ এ ভবনটি ধ্বসের কবলে পড়তে পারে। মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসের নাজির শাহিনুর রহমান শাহিন জানান, ভবনে বেশি চাপ পড়ে বুধবার গণশুনানির ধার্য্যকৃত দিনে।
৮০ দশকের এ ভবনের সামনের দিকে চাকচিক্যময় থাকলেও পেছনের দিকের নেই কোন বাস্তবিক মিল। অসংখ্য ফাটল আর দেয়ালের প্লাস্টারের ধ্বস,তার সাথে ছাঁদের ভংগুর কার্নিশ দেখলেই মনে হচ্ছে যে কোন মূহুর্তে ধ্বসে পড়তে পারে এ ভবনটির যে কোন অংশ।
ইন্জিনিয়ারিং কোয়ালিটির ভাষায় ‘L’ আকৃতির এ ভবনের মাঝ বরাবর অর্থাৎ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিশাত তামান্নার অফিসের রুমের পেছনের দৃশ্যমান রয়েছে প্লাস্টার বাদেই শুধু ইটের গাঁথনী। ভবনটিকে বেশি জরাজীর্ণ করে ফেলেছে আগাছার আস্তারন তার সাথে কর্তৃপক্ষের অযত্ন-অবহেলা।
জানাযায়,তৎকালীন এরশাদ সরকারের আমলে অনুমান ১৯৮৬ সালে ভবনটি নির্মিত হয়। বিগত সরকারের আমলে উপজেলা পরিষদ চত্বরে নতুন ভবন নির্মিত হলেও জায়গা স্বল্পতার কারনে ঝুকিপূর্ণ ভবনে নির্বাহী কার্যক্রম করে যাচ্ছেন মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিশাত তামান্না।
সরেজমিনে দেখা যায়, নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের ভবনটির নিচতলার পেচনের অংশের কার্নিশে চিড় ধরেছে,ভেন্টলেটর,জানালা কিছুই ভালো নেই। আর ভবনের গা ঘেষে ১টি ড্রেন সেটা আবার ময়লা আবর্জনায় ভর্তি হয়ে জঙ্গলে পরিনত হয়েছে।
২য় তলায় ১/২ মিঃ ইটের আলাদা গাঁথনী,একটি পাইপের বরাবর ১ফিট গোলাকৃতির ভাংগন,ছাদের উপরের অংশের কার্নিশ হেলে পড়েছে,লতাপাতায় চারদিকে ভরে গেছে,দেওয়ালের রংয়ের সাথে প্লাস্টার উঠে এসেছে। ১৯৮৩ সালে মণিরামপুর উপজেলায় রুপান্তর করা হয়। ভবনটির বয়স ৩ যুগেরও বেশি।
মণিরামপুর উপজেলা প্রকৌশলী ফয়সাল আহম্মেদের সাথে যোগাযোগ হলে তিনি জানান,ভবনটি খেয়াল করে দেখা হয়নি।ঝুকিপূর্ণ কিনা সেটা বলতে গেলে ভবনকেন্দ্রীক কয়েক প্রকার পরীক্ষা-নীরিক্ষা করা লাগবে।
স্থানীয় কয়েকজন ঠিকাদার জানিয়েছেন বয়স হিসাবে ভবনটি ঝুকিপূর্ণ তবে এখনো মজবুত দেখা যায়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিশাত তামান্না জানান, কার্যালয় স্থানান্তরের কথা আছে তবে জায়গা সংকট ও আরো কয়েকটি কারনে এখনো সম্ভব হয়নি।তবে দূর্ঘটনা যে কোন মূহুর্তে হতে পারে,দুর্ঘটনার কোন গ্যারান্টি নাই।

