সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় রাজপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুব্রুত কুমার দাশের বির্তকিত কর্মকান্ড নিয়ে এলাকায় বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃস্টি হয়েছে।
এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে একাধিক বার প্রধান শিক্ষকসহ সংক্নিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার মেলেনি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে এটি নিছক ভুল ও গঠনমূলক সমালোচনা বলে দাবী অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের।
নাম না জানানোর শর্তে ওই বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক জানান,সুব্রুত দাশ রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় থেকে নিয়মিত স্কুল না করেই মাসের পর মাস বেতন তুলে খাচ্ছেন।
সম্প্রতি বিদ্যালয় এস. এস. সি পরীক্ষায় প্রায় শতভাগ শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়। এতে তিনি ক্ষুদ্ধ হয়ে সামাজিক যোগযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষকে কটুক্তি করে লেখেন এত( পাশ কি ভাবে সম্ভব)। তার কটুক্তির দেখার পরে কোমলমতি শিক্ষার্থী সহ অভিভাবক মহলের ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে ওই শিক্ষকের বহিষ্কার সহ শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন করে এলাকাবাসী। এদিকে ঘটনার পর থেকেই এখন বহাল তবিয়তে রয়েছে ওই স্কুল শিক্ষক। স্থানীয়রা ও খেরশা ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম লাল্টু জানান, রাজপুর স্কুলের শিক্ষক সুব্রুত দাশ স্কুল বাদ দিয়ে রাজনীতি করে বেড়ায় বলে শুনেছি।
কিছুদিন ধরে সে সরকারী দলের নাম ভাঙিয়ে জামায়ত বিএনপির দোশর হয়ে কাজ করে আসছে ।এছাড়া সে নিজেকে কখনও সাংবাদিক , রাজনীতিবিদ পরিচয় দিয়ে নানা রকম অপকর্ম করে বেড়ায়। তার অপকর্মের জন্য সংক্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে শাস্তির দাবী জানান তারা।
রাজাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিমাই কৃষ্ণ মন্ডল জানান,তার সহকর্মী ওই স্কুল শিক্ষক কোন কটুক্তি করেন নি। বিষয়টি নিয়ে এলাকার একটি মহল ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। আমি বিষয়টা নিয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি।অভিযোগ অস্বীকার করে ওই স্কুল শিক্ষক সুব্রুত কুমার দাশ জানান, বিষয়টি আমার অনিচ্চাকৃত ভুল, তবে খারাপ কিছু লিখিনি আমি।
এব্যাপারে অনেক অভিযোগ তুলেছেন তবে প্রধান শিক্ষক আমার পক্ষে। ঘটনাটি ভিন্ন খাদে কেউ যাতে নিতে না পারে এজন্য লিখিত প্রতিবাদ দিয়েছেন তিনি ।তালা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফিরোজ আহমেদ জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। তবে খোঁজ খবর নিয়ে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। জেলা শিক্ষাকর্মকর্তা আজিত কুমার সরকার জানান, বিষয়টি তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

