বেনাপোল প্রতিনিধি:- যে দিকে চোখ যায় শুধু ফুল আর ফুল। এ যেন ফুলের মেলা-রং বে রংয়ের খেলা। কতই আদলে সেজেছে পুরো এলাকা। দেখে সেলফি তুলে ঘুরে ফিরে মনজোড়াচ্ছেন অনেকে। আসছে ফুল পিপাসু ও ভ্রমন পিপাসু বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ। এ যন এক অপর সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে প্রকৃতির মাঝে যশোরের গদখালি পানি সারার নিত্য নৈমিত্তিক দৃশ্যপট। মিষ্টি মধুর সময় উপভোগ করার ক্ষেত্র তৈরী করেছে সৌখিন উদ্যোক্তারা। বাড়ছে কর্ম সংস্থান। আসছে অর্থের যোগান। দৃষ্টি নন্দন মন মুগ্ধকর স্পটে কাছে টানছে বিনোদন প্রেমীদের। পরিবার পরিজন সহপাঠি ও প্রিয়সব মানুষের মিলনমেলায় রুপ নিচ্ছে এলাকা। বিস্তীর্ন এলাকাজুড়ো ফুলের অভয়ারণ্য তৈরী করা হয়েছে। অপরুপ সাজে সাজানো হয়ে ষ্টল বাগিচা ও সড়ক এলাকা। ফুলের খেতেও বাড়ছে বিনোদন প্রেমীদের ভীড়। বিভিন্ন
রাইড দোলনা,গেইট,হোটেল রেষ্টুরেন্ট ও সু শোভিত প্যালেস মুগ্ধ করছে আগতদের। গোলাপ রজনী গন্ধা জারবেরা, নভুট্টাসহ দেশ বিদেশের হরেক রকম ফুলের সমারোহে ভ্রমর যেমন মধুর সন্ধানে ছোটে তেমনি ছুটছে নারী পুরুষেরা। শিশু কিশোর ব্যাবসায়ি চাকরীজীবি ও উঠতি বয়েছের যুবক যুবতীদের আড্ডাস্থলে পরিণত হচ্ছে এলাকা। ছুটির দিনে শিক্ষার্থীদের ভীড় বাড়ে এলাকায়। আলোক চিত্রে দেখব ফুলের অভয়ারণ্য। আসছে তিনটি উৎসবকে ঘিরে বেশী লাভের আশায় ব্যাস্ত সময় পার করছেন যশোরের গদখালি শার্শা বেনাপোলের ফুল চাষীর ও ব্যাবসায়িরা। ফুলের চাহিদা ও দাম
বেশী থাকায় লাভবান হচ্ছেন তারা। এসব এলাকায় উৎপাদিত ফুল রফতানি হচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলা শহরে এতেই খুশি চাষী ব্যাবসায়ি ও স্থানীয়রা। ফুল কার না ভাল লাগে উৎসব আনুষ্টানিকতায় ফুলের চাহিদা ও কদর বাড়ছে দিন দিন।
আসছে পহেলা ফালগুন,বিশ্ব ভালবাসা দিবস ও অমর ২১শে ফেব্রয়ারি। এই তিন উৎসবের বাজার ধরতে ব্যাস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। করোনাসহ বিগত দিনের লোকসান পুশিয়ে নিতে ফুল খেতে ব্যাস্ত সময় কাটাচ্ছেন তারা। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসছেন ব্যাবসায়িরা। এবার ফুলের দাম ভাল পাওয়ায় লাভ বান হচ্ছেন তারা। জরবেরা-গ্লাডুলার্স, রজনী, গাধাও গোলাপ ফুলের বিক্রি বাড়ছে। দ্বিগুন বেড়েছে এসব ফুলের-দাম রজনীগন্ধা ও গোলাপ পাইকারী বিক্রি হয়েছে প্রতিপিচ ৪টাক থেকে৯টাকা, গ্লাডুলার্স ও জারবেরা৮/১২টাকা এখন দ্বিগুন দাম পাচ্ছেন চাষী- অনেকে ফুল তুলে পাচ্ছেন অতিরিক্ত পারিশ্রমিক। দিন দিন বাড়ছে ফুলের চাহিদা। অর্থকারী ফসল হিসাবে ফুলের চাষ বাড়ছে। ফলন ও
দাম ভাল পেয়ে লাভবান হচ্ছে চাষী-তাদেরকে প্রশিক্ষন পরামর্শ ও সহযোগিতা দিচ্ছে জেলা ও উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর-তিনটি উৎসবকে ঘিরে শার্শায় অর্ধলক্ষ টাকার ফুল বিক্রির আশা করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রতাাপ কুমার মন্ডল।চলতি
মৌসুমে ১৫শ,শতক জমিতে হয়েছে বিভিন্ন জাতের ফুল চাষ হয়েছে বলে জানান তিনি। বাংলাদেশ ফেওয়ার সোসাইটির সভাপতি আব্দুর রহিম বলেন দেশে যশোর সাভার চট্টাগ্রাম সাতক্ষিরা সহ বিভিন্ন এলাকায় ফুলের চাহিদা বাড়ায় বেড়েছে চাষ। গদখালিতে ৩টি উৎসবে ৬ কোটি টাকার ফুল ও দেশে ২শ কোটি টাকার ফুল বিক্রি আশা করেন তিনি। ফুলের দাম ভাল পেয়ে খুশি চাষী ও ব্যাবসায়িরা।
তিন উৎসব সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছে গদখালীর ফুল চাষীরা

