শনিবার, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৮শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

দুর্গোৎসব: প্রথম চালানে ভারতে গেল ৭৭ টন রুপালি ইলিশ

আরো খবর

আলী হোসেন, বেনাপোল:দুর্গোৎসবে ভারতের বাঙালিদের ইলিশের স্বাদ দিতে বিশেষ বিবেচনায় প্রথম চালানে গেল ৭৭ টন ইলিশ । বৃহস্পতিবার বিকেলে বেনাপোল বন্দর দিয়ে  এই ইলিশের  চালান ভারতে পাঠানো হয়।

পদ্মার ইলিশ পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের কাছে প্রিয় হলেও দেশের চাহিদা বিবেচনায় বিভিন্ন সময় তা রপ্তানি বন্ধ রাখে বাংলাদেশ সরকার। ২০১২ সালের আগে ভারতে ইলিশ রপ্তানি করা হতো। ইলিশের উৎপাদন কমে যাওয়ায় ২০১২ সালের পর ইলিশ রপ্তানি বন্ধ করে দেয় সরকার।ইলিশ রপ্তানি বন্ধ থাকলেও দুর্গোৎসবে ভারতের বাঙালিদের এই মাছের স্বাদ দিতে বিশেষ বিবেচনায় গতবছর ২০২২ সালে ৫৯ প্রতিষ্ঠানকে ২৯০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদনের অনুকূলে রপ্তানি হয়েছিল মাত্র ১৩০০ টন।২০২১ সালে ১১৫ প্রতিষ্ঠানকে ৪ হাজার ৬শমেট্রিকটন ইলিশ ভারতে রপ্তানির অনুমোদন দেয় সরকার।২০২০সালে দুর্গাপূজা উপলক্ষে এক হাজার ৪৫০ টন এবং ২০১৯ সালে ৫০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছিল সরকার।

বেনাপোল মৎস্য কোয়ারেন্টিন পরিদর্শক আসওয়াদুল আলম জানান ইলিশের রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান-মাহিমা এন্টারপ্রাইজ,তানিসা এন্টারপ্রাইজ, সেভেন স্টার ফিস প্রসেসিং কোং,রিপা এন্টারপ্রাইজ, সাউদার্ন এন্টারপ্রাইজ,বিশ্বাস এন্টারপ্রাইজও প্যাসিফিক সি ফুড লিমিটেড। ভারতের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানেরগুলো হল-এস আর ইন্টারন্যাশনাল, নাজ ইমপেক্স প্রাইভেট লিমিটেড, বিমল রায় ও বারখা বিকাস ফিস এজেন্সি।এদিকে বন্দর থেকে মাছ রপ্তানি করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করেন এমি এন্টারপ্রাইজ ও গনি এন্ড সন্স নামে দুটি সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান।প্রতিকেজি ইলিশের রপ্তানি মূল্য১০মার্কিন ডলার। ‍দুর্গাপূজায় ভারতে যাচ্ছে প্রায় চার হাজার টন ইলিশ।আগামী ৩০অক্টোবর পর্ রপ্তানি করতে পারবে অনুমোদন পাওয়া৭৯ প্রতিষ্ঠান। আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ থেকে তিন হাজার ৯৫০ টন ইলিশ ভারতে রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
ভারতে মাছ রফতানিতে খুশি সেদেশের নাগরিকেরা ও ব্যাবসায়িরা ।

বুধবার (২০সেপ্টেম্বর)বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে সরকার।-প্রজ্ঞাপনে ৭৯টি প্রতিষ্ঠানকে ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়।প্রতিটি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ৫০টন করে ইলিশ রপ্তানির শর্ত সাপেক্ষে অনুমোদন পেয়েছে।বেশির ভাগ ইলিশ বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে রপ্তানি হয়।অনুমোদনের চিঠিতে বলা হয়,সরকার মৎস্য আহরণ ও পরিবহনের ক্ষেত্রে কোনো রকম বিধিনিষেধ আরোপ করলে তা কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রপ্তানির এ অনুমতির মেয়াদ শেষ হবে।আবার সরকার প্রয়োজন মনে করলে রপ্তানির এই আদেশ যেকোনো সময় বন্ধও করতে পারবে বলে অনুমোদনের শর্তে বলা হয়েছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ