নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০২২ সালের ১৮ জানুয়ারি শিক্ষা প্রকৌশলী অফিস থেকে ইস্টিমেট করার পরেও অজ্ঞাত কারনে খানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পুরাতন ভবন ও গাছ নিলাম করাননি সাতক্ষীরার খানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়প্রধান শিক্ষক ও স্কুল পরিচালনা কমিটি।
তবে নিলাম না করালেও সেখানে সেই ভবন আর গাছ অবশিষ্ট নেই। গোপনে বিক্রি করে সংশ্লিষ্টরা সরকারি টাকা আত্নসাত করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সূত্র জানায়, এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে ২৭/১২/২০২৩ সালে সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল গনি খানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে জবাব দিতে বললেও অজ্ঞাত কারনে কোন ব্যাবস্থা গ্রহন করা হয়নি।
চিঠিতে লেখা ছিলো, মো: জাকির হোসেন, প্রধান শিক্ষক, খানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সদর সাতক্ষীরা। বিভিন্ন সূত্রে খবর পাওয়া যাচ্ছে যে, আপনি আপনার বিদ্যালয়ের একটি পুরাত ভবন ও দু’টি শিশু গাছ সরকারি নিয়ম না মেনে বিক্রি করে অর্থ আত্নসাত করেছেন। আপনার বিরুদ্ধে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে কেন বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের সুপারিশ করা হবে না এই মর্মে সন্তোষজনক জবাব আগামী ৭ দিরে মধ্যে নিম্নস্বাক্ষরকারীর দপ্তরে জমা দেওয়ার জন্য বলা হলো।
এই চিঠি ইস্যু করার পরেও জাকির হোসেন বহাল তবিয়াতে আছে। পরবর্তীতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারও এব্যাপারে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেনি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক জানান, উপজেলা শিক্ষা অফিসার নিজেও এই অনিয়মের সাথে জড়িত।
এব্যাপারে এলাকাবাসি প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন ও তাকে আশ্রয় দেওয়া অফিসার ও কমিটির সদ্যদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এব্যাপারে এলাকাবাসি প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন ও তাকে আশ্রয় দেওয়া অফিসার ও কমিটির সদ্যদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এব্যাপারে খানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন বলেন, অভিযোগটি মিথ্যা।
এব্যাপারে সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জানান, এবিষয়ে চিঠি দেওয়ার পরে প্রধান শিক্ষক জবাব দিয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে।
এব্যাপারে সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জানান, এবিষয়ে চিঠি দেওয়ার পরে প্রধান শিক্ষক জবাব দিয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে।

