শুক্রবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৭শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

দেশ স্বাধীনের পর এই প্রথম চালু হলো বেনাপোল মংলা কমিউটার ট্রেন সার্ভিস

আরো খবর

আলী হোসেন: দেশ স্বাধীনের পর এই প্রথম চালু হলো বেনাপোল মংলা কমিউটার ট্রেন সার্ভিস। শনিবার সকাল ১০টায় বেনাপোল থেকে ৬৮৭ জন যাত্রী নিয়ে ট্রেনটি মংলার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। এর মাধ্যঈগ দেশের বৃহত্ততম দুই বন্দরের সাথে তৈরি হলো নতুন সেতুবন্ধন। বহু প্রত্যাশিত ট্রেন সার্ভিসটি চালু হওয়ায় বেনাপোল মংলা বন্দর এবং প্রতিবেশী রাস্ট্র ভারতের সাথে ব্যবসাবানিজ্যে নতুন মাত্র যোগ হবে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।
বেনাপোল স্টেশন মাস্টার সাইদুর রহমান জানান,বর্হির বিশ্বের সাথে ব্যবসা-বানিজ্য ও পণ্য আমদানি-রপ্তানির সাথে আন্তজার্জিতিক বেনাপোল স্থল বন্দর এবং মংলা বন্দরের সাথে যোগ সূত্র রয়েছে। সিংহভাগ পণ্য এই দু’টি বন্দর দিয়ে আমদানি রপ্তানি হয়। সেই বিবেচনায় জনগুরুত্বপুর্ণ এই দু’টি বন্দরের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো সহজতর করার জন্য ট্রেন সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নেয় বর্তমান সরকার। যা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে দক্ষিন-পুর্বাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন পুরণ হলো। মংলা বন্দর থেকে এই রুটের দূরত্ব ১৩৮ দশমিক ৬৪ কিলোমিটার। যার ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ৮৫টাকা।

গত ১ নভেম্বর খুলনা টু মোংলা পর্যন্ত নতুন রেল লাইনের পরীক্ষামুলক উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনের প্রায় ৭ মাস পর এ রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হলো। এই ট্রেন সার্ভিসটি বেনাপোল নাভারণ, ঝিকরগাছা, যশোর জংশন, রূপদিয়া, সিঙ্গিয়া, চেঙ্গুটিয়া, নওয়াপাড়া, বেজেরডাঙ্গা, ফুলতলা, আড়ংঘাটা, মোহাম্মদনগর, কাটাখালি, চুলকাটি বাজার, ভাগা ও দিগরাজ স্টেশনে যাত্রাবিরতির পর মোংলায় যাবে।

প্রতিদিন সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বেনাপোল থেকে মংলার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে কমিউটার ট্রেনটি। ট্রেনটি খুলনা ফুলতলা হয়ে যাবে মোংলায়। এরপর মোংলা থেকে ট্রেনটি ছাড়বে দুপুর ১টায় এবং বেনাপোলে পৌঁছাবে বিকেল সাড়ে ৪টায়। মঙ্গলবার বাদে সপ্তাহে ৬দিন চলবে মংলা কমিউটার ট্রেন। পরবর্তীতে রেল সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনার রয়েছে বলে জানান জানান বেনাপোল ষ্টেশন মাষ্টার।

এদিকে রেল সেবায় আরো একটি নতুর দোয়ার খুলে যাওয়ায় এলাকার ব্যবসায়ী ও যাত্রীদের মধ্যে সৃস্টি হয়েছে বিপুল উৎসাহ উদ্দিপনা। তারা সরকারে এই উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করে সাধুবাদ জানিয়েছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ