নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় প্রতিপরে হামলায় পাঁচ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতরা
হলেন, উপজেলার চন্দ্রপুর গ্রামের মৃত. ছলেমান শেখের ছেলে শারাফাত শেখ (৪০) ও ফুলমিয়া শেখ (৫৫), নুরু মিয়া শেখের ছেলে শামীম শেখ (২৭), নিলু শেখের ছেলে পলাশ শেখ, অলিয়ার মোল্যার ছেলে লোকমান মোল্যা (৪৮)। প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে শারাফাত শেখের বাম হাতের কব্জি ও দু’পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে ওই উপজেলার চাঁচুড়ি বাজারের বকুলতলা এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহতদের নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে শারাফাত শেখ ও শামীম শেখকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। অন্যান্যদের নড়াইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ ও এলাকাবাসি সূত্রে জানা গেছে, চন্দ্রপুর গ্রামের আতাউর মৃধা ও রবিউল মোল্যার গ্রুপের মধ্যে গ্রাম্য আধিপত্য বিস্তরকে কেন্দ্র করে শুক্রবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে
ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয় ভাবে উত্তেজনা বিরাজ করছিলো। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার টার দিকে রবিউল মোল্যার পরে লোকজন শারাফাত শেখকে চাঁচুড়ি বাজারের বকুলতলা এলাকায় একা পেয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক ভাবে আহত করে। এতে তাঁর বাম হাতের কব্জি ও দু’পা শরীর থেকে বিছিন্ন হয়ে যায়। শরাফতের চিতকার শুনে তাঁর ভাই ফুল মিয়া শেখ ও ভাতিজা শামীম শেখসহ স্বজনেরা
ঘটনাস্থলে পৌঁছলে হামলাকারিরা তাঁদেরকেও কুপিয়ে মারাত্মক ভাবে আহত করে। এলাকাবাসি আহতদের উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভার্ত করেন। অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য শারাফাত ও শামীমকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যে কোন মুহুর্তে সংঘর্ষের আশংকা করছেন এলাকাবাসি। কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ তাসমীম আলম বলেন, ঘটনার পরপরই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হামলার ঘটনায় জড়িতদের আটক করতে অভিযান অব্যাহত আছে। এলাকার পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। এ খবর লেখা পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি।
নড়াইলে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৫, একজনের হাত-পা বিচ্ছিন্ন

