শনিবার, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৮শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

নড়াইলে যুবলীগ কর্মি আজাদ শেখ হত্যা: নিহতের পরিবারের দায়িত্ব নিলেন সাংসদ মুক্তি

আরো খবর

নড়াইল প্রতিনিধি:নড়াইলে যুবলীগ নেতা আজাদ শেখ হত্যা ঘটনায় প্রতিবাদে এবং হত্যা মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) দুপুরে কালিয়া উপজেলার পিরোলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ কার্য়ালয় চত্বরে কািলয়া উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আয়োজনে প্রতিবাদ মিছিল ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। কয়েক হাজার বিক্ষুদ্ধ জনতা বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহন করেন।
প্রতিবাদ মিছিল শেষে শোক সভায় সভাপতিত্ব করেন কালিয়া উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মোঃ রবিউল ইসলাম। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য বি এম কবিরুল হক মুক্তি। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদ সদস্য মোল্লা এমদাদুল হক, কালিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোঃ হারুনার রশিদ, কালিয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান খাঁন মোঃ শামীমুর রহমান (ওসিখাঁ), কালিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র মুশফিকু রহমান লিটন, পুরুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম মনি, কৃষকলীগ নেতা লুৎফর রহমান, বাঐসোনা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ ফোরকান আলী, নিহতের ভাই সাজ্জাদ শেখ প্রমুখ।
সংসদ সদস্য বি এম কবিরুল হক মুক্তি বলেন, স্বজন হারানোর বেদনা খুব কষ্টের। সেই কষ্টটা আমি বুঝি। ১৯৮৫ সালে বিএনপি-সরকারের প্রেতাত্মারা যখন আমার বাবা ও বড় ভাইকে খুন করেছিল, তখন আমি এতিম হয়েছিলাম। তিনি বলেন, আজাদ কি করেছিল? কার ক্ষতি করেছে? কেন তাঁকে খুন করা হলো? তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যারা এ ঘটনার সাথে জড়িত তাদের আ্ইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার করতে হবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের তিনি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
সংসদ সদস্য কবিরুল হক মুক্তি আরো বলেন, অভিভাবক হারা যুবলীগ কর্মি আজাদের পরিবারের সকল দায়িত্ব আমি গ্রহণ করলাম। আপনাদের কাছে ওয়াদা করছি আমৃত্যু আমি এই দায়ভার গ্রহণ করছি।
উল্লেখ্য, পিরোলী ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি সাজ্জাদ শেখের ছোট ভাই ও যুবলীগ কর্মী আজাদ শেখ ২০ জুলাই খুলনায় ‘তারুণ্যের জয়যাত্রা’ সমাবেশ যোগ দিয়ে সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরছিলেন। পিরোলী পূর্বপাড়া চৌরাস্তায় পৌঁছালে সন্ত্রাসীদের পরিকল্পিত হামলার শিকার হন আজাদ। সন্ত্রাসীরা তাকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও শাবল, লোহার রড় ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা আজাদকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেণ।##

আরো পড়ুন

সর্বশেষ