শনিবার, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৮শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

নড়াইল-২ আসনে কে পাচ্ছেন ধানের শীষ

আরো খবর

নিজস্ব প্রতিবেদক, নড়াইল:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল – ২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন প্রত্যাশী ৮ জন প্রার্থী। এরমধ্যে দু’জন প্রার্থী মনোনয়ন প্রাপ্তিতে আত্মবিশ্বাসী। ইতোমধ্যে নড়াইল-১ আসনের প্রার্থীর নাম চ’ড়ান্ত হলেও নড়াইল-২ আসনের প্রার্থীতা স্থগিত রাখা হয়েছে। ফলে, নড়াইল-২ আসনে কে পাচ্ছেন ধানের শীষের মনোনয়ন (?), এ নিয়ে ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক জল্পনা কল্পনা শুরু হয়েছে।

এ বিষয়ে চায়ের দোকানেও চলছে আলোচনার ঝড়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নড়াইল-২ আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। পথসভা, গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ ছাড়াও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকা-ে অংশ নিচ্ছেন প্রার্থীরা।

 

জেলা বিএনপি’র একটি সূত্রে জানা গেছে, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনিরুল ইসলামকে নড়াইল – ২ আসনে মাঠে কাজ করার জন্য হাইকমান্ড থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সমন্বয়ক ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপির) চেয়ারম্যান অ্যাড. ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদকে জোটের হাইকমান্ডের পক্ষ থেকে মাঠে কাজ করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির পক্ষ থেকে এনপিপির চেয়ারম্যান অ্যাড. ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদকে নড়াইল -২ আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। ভোটে পরাজিত হয়ে তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর নিজের ভোটও তিনি নিজে দিতে পারেননি।

 

 

 

নড়াইল-২ আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন পেতে মাঠে আরও রয়েছেন, নড়াইল জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও নড়াইল জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শাহরিয়ার রিজভী জর্জ, জেলা বিএনপির নবনির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার ইজাজুল হাসান বাবু, লন্ডন মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা মো. তুহিন মোল্যা, জিয়া সাইবার ফোর্সের উপদেষ্টা সদস্য (অবঃ মেজর) কাজী মঞ্জুরুল ইসলাম প্রিন্স, জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আমেরিকা প্রবাসী এম জাকারিয়া মাহমুদ, ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও যুবদল নেতা এইচ এম রাশেদ। তাঁরা সবাই মনোনয়ন পেলে ভোটে জিতে তারেক রহমানকে এ আসনটি উপহার দেবেন বলেও দাবি করছেন।

 

 

মনোনয়ন প্রত্যাশী নড়াইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি হাইস্কুল থেকে ছাত্রদলের রাজনীতি শুরু করি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল করেছি। নড়াইল সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছি। ২০১৭ সাল থেকে একটানা ২০২৫ সাল পর্যন্ত নড়াইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছি। ২০২৫ সালের কাউন্সিলে সরাসরি কাউন্সিলরদের ভোটের মাধ্যমে আবারও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছি।

 

 

বিগত ১৭ বছর রাজপথে থেকে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। অনেকবার হামলার শিকার হয়েছি, ২৩ টি মিথ্যা মামলা হয়েছে, ৭বার জেল খেটেছি। আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা অনেকবার আমার বাড়িতে হামলা চালিয়ে বাড়ি ভাংচুর করেছে। যখন আওয়ামী সন্ত্রাসীরা নড়াইল জেলা বিএনপির অফিস বন্ধ করে দিয়েছিল। তখন থেকে আমার বাড়ি থেকে জেলা বিএনপির কার্যক্রম পরিচালনা হতো। জুলাই আন্দোলনে ৪ আগস্ট নড়াইলে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ও ফ্যাসিস্টদের দোষর পুলিশ বাহিনীর বন্দুকের নলের সামনে বুক চিতিয়ে নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলাম।

 

 

সেদিনের সেই বিভীষিকাময় চিত্র দেশের বিভিন্ন বেসরকারি চ্যানেলে,পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। হামলা, মামলা, জুলুম, নির্যাতনের পরোয়া না করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনায় প্রতিটি প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করেছি। এখনও জনাব তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফার বার্তা জনগণের কাছে পৌঁছে দিচ্ছি। এজন্য আমি শতভাগ আশাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান সব কিছু বিবেচনা করে নড়াইল -২ আসনে আমাকেই দলের মনোনয়ন দিবেন’।

 

জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সমন্বয়ক ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপির) চেয়ারম্যান সিনিয়র আইনজীবী ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ বলেন, ‘বিগত ১৬ বছর আমিসহ আমার দলের নেতাকর্মীরা যুগপৎ আন্দোলনে সরব ছিলাম। পুলিশের আতংকে আমিসহ আমার নেতাকর্মীরা রাতের পর রাত বাড়িতে ঘুমাতে পারেনি। ঢাকাসহ আমার নির্বাচনী আসন নড়াইল -২ এলাকায় নেতাকর্মীদের নিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। এছাড়া প্রতিটি কর্মসূচি পালন করেছি। আমি সব সময় দলের নেতাকর্মীদের খোঁজ খবর নিয়েছি। ফ্যাসিবাদী আমলে দলের নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট মামলা হয়েছে ওই সমস্ত মামলার আইনী লড়াই করে শত শত নেতাকর্মীকে আমি জামিনে মুক্ত করেছি।

 

 

২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির পক্ষ থেকে আমাকে নড়াইল-২ আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। আফসোসের বিষয় আমার নিজের ভোটও আমি নিজে দিতে পারিনি। ওই নির্বাচনে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী বাহিনীরা আমার গাড়ি বহরে হামলা চালায়। অসংখ্য মোটরসাইকেল ভাংচুর করে। এছাড়াও আমার নির্বাচনী অফিস ভাংচুর করে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। আমি গত ১৬টি বছর ধানের শীষের পক্ষে কাজ করেছি। এখনও মাঠে ময়দানে কাজ করে যাচ্ছি। আমার বিশ্বাস এবং আমি আশাবাদি, আগামী নির্বাচনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান নড়াইল-২ আসনে আমাকে (ধানের শীষের) মনোনয়ন দিবেন।

 

 

 

নড়াইল জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার রিজভী জর্জ বলেন, আমি নড়াইল জেলা ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সহ-সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছি। আমি ২০১৭ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত নড়াইল জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছি। বিগত ১৬ বছর বিএনপি ঘোষিত সকল কর্মসূচি পালন করেছি। এসব কর্মসূচি পালন করতে যেয়ে পুলিশসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হয়েছি। আমার নামে ১৫টি রাজনৈতিক মিথ্যা মামলা হয়েছে। আমাকে ২ বার কারাবরণ করতে হয়েছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান নড়াইল- ২ আসনে আমাকে ধানের শীষের মনোনয়ন দিবেন বলে আমি আশাবাদি।

 

 

নড়াইল জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার ইজাজুল হাসান বাবু বলেন, ‘আমি জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করেছি, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সদস্য এবং ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের পদে থেকে দায়িত্ব পালন করেছি। বিগত ১৬ বছর দলের সাথে থেকে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। নড়াইলসহ ঢাকার রাজপথে স্বৈরাচার বিরোধী লড়াই সংগ্রাম করেছি। আন্দোলন সংগ্রাম করতে যেয়ে পুলিশসহ আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হয়েছি। আমার নামে ৫টি মিথ্যা নাশকতার মামলা হয়েছে।

আমার বাড়িতে হামলা হয়েছে। আমার বাড়িতে পুলিশ, ডিবি, র‌্যাব অভিযানের নামে তান্ডব চালিয়েছে। আমার বাড়িতে ঢোকার সমস্ত রাস্তা বন্ধ করে রেড ব্লক অভিযান করেছিলো। আমাকে না পেয়ে সেদিন আমার মায়ের সাথে অসভ্য আচরণ করেছিলো। ওই ঘটনায় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করা হয়। ২০১৩/১৪ সালে শত বাঁধা অতিক্রম করে নেতাকর্মীদের নিয়ে ঢাকার রাজপথে ব্যপক আন্দোলন গড়ে তুলেছিলাম। যেটি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ অনেকেই অবগত রয়েছেন। আমার মা টানা তিন বছর ঢাকায় থেকে ২০২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন। কষ্টের বিষয় হলো আমি আমার মায়ের জানাজাসহ কবরে মাটিও দিতে পারিনি। এছাড়া আমার বাবা ২০১১ সালে মৃত্যুবরণ করেন, আমি বিএনপি করি বিধায় আমার বাবার জানাজাসহ কবরে মাটি দিতে পারিনি।

 

সন্তান হিসেবে এর থেকে কষ্টের আর কি আছে? আমরা ফ্যাসিস্ট সরকারের সাথে কোন ধরনের আতাআত করিনি বিধায় আমার পরিবারের ওপর এতটা নির্যাতন হয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি। আমি শতভাগ নিশ্চয়তা দিতে পারি নড়াইল-২ আসনের জনগণ আমাকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন এবং আমি আমার নেতা জনাব তারেক রহমানকে এই আসন উপহার দিবো ইনশাআল্লাহ।

 

 

মনোনয়ন প্রত্যাশী লন্ডন মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও কোকো মেমোরিয়াল ট্রাস্ট এর কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মো. তুহিন মোল্যা বলেন, ‘আমি কলেজ জীবন থেকে ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম। আমি দীর্ঘদিন লন্ডনে আছি। প্রবাসে এসেও দলের পক্ষে কাজ করেছি। বিগত ১৬ বছর ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। যার জন্য আমার গ্রামের বাড়িতে হামলা হয়েছে। আমার পরিবারের সদস্যদের পুলিশি হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। বিগত ১৬ বছর আমি সব সময় আমার এলাকার নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ রেখেছি। সব সময় দলের কাজ করেছি, এখনও করে যাচ্ছি, ভবিষ্যতেও দলের জন্য কাজ করে যাবো। আমাদের অবিভাবক জনাব তারেক রহমান যে সিদ্ধান্ত দিবেন আমরা সেই সিদ্ধান্তে কাজ করে যাবো। তিনি যাকে ধানের শীষ প্রতীক দিবেন আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে তার পক্ষে কাজ করবো।’

 

 

জিয়া সাইবার ফোর্সের উপদেষ্টা সদস্য মেজর (অবঃ) কাজী মঞ্জুরুল ইসলাম প্রিন্স বলেন,‘ আমি বিএনপির একজন কর্মী হিসেবে সব সময় দলের সাথে ছিলাম। দলের দুর্দিনে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলাম। এখনও নড়াইল-২ আসনের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে এলাকার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ অসহায় মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছি। জনাব তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা জনগণের কাছে পৌঁছে দিচ্ছি। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান যদি নড়াইল-২ আসনে আমাকে ধানের শীষের মনোনয়ন দেন তাহলে এলাকার মানুষ আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন। আমি বিজয়ী হলে এই এলাকার মানুষের প্রত্যাশা পূরণে শতভাগ কাজ করবো।

 

 

নড়াইল জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি এম জাকারিয়া মাহমুদ বলেন, ‘১৯৯১ সাল থেকে এ পর্যন্ত দলের জন্য কাজ করে আসছি। বিগত ১৬ বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কথা বলেছি। যে কোন আন্দোলন সংগ্রামে ভূমিকা পালন করেছি। বিপদের মূহুর্তে সব সময় নেতাকর্মীদের খোঁজ খবর নিয়েছি এবং পাশে থেকেছি। দলের নির্দেশনা মেনে এখনও ধানের শীষের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছি। আমি আশা রাখি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান সবকিছু বিবেচনা করে এবার আমাকে মনোনয়ন দিবেন। নড়াইল -২ আসন থেকে এবার যদি আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হয় তাহলে আমি বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে এই এলাকার জনগণের কল্যাণে কাজ করবো। জনাব তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে কাজ করবো।

 

 

 

ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা এইচ এম রাশেদ বলেন, ‘১৬ বছর ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। নিজের জীবন বাজি রেখে কেন্দ্র ঘোষিত সমস্ত কর্মসূচি পালন করেছি। কর্মসূচি পালন করতে যেয়ে আওয়ামী লীগের গুন্ডাদের এবং পুলিশের হামলার শিকার হয়েছি। হামলায় অনেকবার আহত হয়েছি। কয়েকবার মিথ্যা নাশতার মামলায় জেল খেটেছি। জেলে গিয়ে রিমান্ডসহ নির্যাতনের শিকার হয়েছি। এসব আন্দোলন সংগ্রামের ফুটেজ সোস্যাল মিডিয়ায় প্রচার হয়েছে। ৫ আগস্ট পরবর্তীতে প্রতিনিয়ত নিজের নির্বাচনী এলাকায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফার লিফলেট মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছি এবং ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যাকে ধানের শীষ প্রতীক দিবেন আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাঁর পক্ষে কাজ করবো।

 

 

 

 

উল্লেখ্য, নড়াইল সদরের একাংশ ও লোহাগড়া উপজেলা নিয়ে নড়াইল-২ আসন গঠিত। এর মধ্যে নড়াইল সদরের ১ টি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়ন রয়েছে এবং লোহাগড়া উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১২ টি ইউনিয়ন রয়েছে। নড়াইল-২ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৭৫৭ জন এবং ভোট কেন্দ্র রয়েছে ১৪৭ টি।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ