সংবাদদাতা কেশবপুর (যশোর)ঃ কেশবপুরে নদীর নাব্যতা সংকটের কারনে চলতি মৌসূমে ধান আবাদ করতে এবারও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সাধারণ কৃষকের চোখে মুখে হতাশার ছাপ ভেসে উঠেছে। জানাগেছে কেশবপুর উপজেলার পূর্ব অংশের ডুমুরিয়া ও কেশবপুরের সিমান্তবর্তী মধ্যে দিয়ে বয়ে গেছে শ্রী হরি নদী । এই শ্রী হরি নদী দিয়ে কেশবপুর মনিরামপুর অভয়নগর উপজেলার প্রাই ২৭ টি বিলের পানি বিল খুকশিয়া নামক স্থানে ৮ ব্যান্ডের সুইচ গেট দিয়ে পানি নিস্কাষন হয়ে আসছে। কিন্তুু চলতি বছরে নদীর নব্যতা হারিয়ে পানি নিস্কাষনের গতি পথ একেবাওে বন্দ হয়ে গেছে। বর্তমানে বিল অপেক্ষা নদীর তলদেশ ৬/৭ ফুট উচু হয়ে গেছে যে কারনে গেটের পশ্চিম অংশের ৩০ টি বিলের পানি নিস্কাষন হতে পারছে না। অতি বৃষ্টির কারণে এলাকার অনেক নিচু অংশে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এ কিছু দিন পরেয় কৃষকের ইরি বোরা ধান আবাদ করার সময় চলে আসছে। মৎস্য ঘের মালিকেরা ধান চাষ উপযোগী করার জন্য মৎস্য ঘেরের সেচের কাজ শুরু করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে কিন্তুু প্রচুর পানির চাপের কারণে ঘেরের ভেড়ি বাঁদ ধ্¦সে পড়ছে। ভেড়ি বাধ ধসে পড়ার কারণে ঘের মালেকেরা ঘের সেচ দিতে সাহস পাচ্ছে না। এ দিকে সেচ ব্যবস্থা যথায়ত না হওয়ায় কৃষকরা পড়েছে বিপাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে নদী সংলগ্ন যে কোন একটি বিলে উন্মুক্ত জোয়ার আধার(টি,আর,এম) প্রকল্প চালু করলে নদীর নব্যতা ফিরে আসত এবং গেটের মুখ পলি অপসারণ করলে সহজেই পানি নিস্কাষন হতে পারবে। ৩০ বিলের কৃষকদের দাবী বিল খুকশিয়ার ৮ ব্যান্ডের সুইচ গেটের পলি অপসারনের জন্য কতৃপক্ষের হস্থক্ষেপ কামনা করছে। কেশবপুরের গণমানুষের নেতা ও নব নির্বাচিত যশোর-৬ আসনের এম,পি জনাব শাহিন চাকলাদারের দিকে অধির আগ্রেহে তাকিয়ে বসে আছে কেশবপুরের মানুষ। তাদের এখন একটায় প্রানের দাবী বিলখুকশিয়ার ৮ ব্যান্ডের সুইচ গেটের সামনের পলি অপসারণ করে পানি প্রবাহকে স্বাভিক করে এলাকার জলাবদ্ধতা দুর করা। তাই অবহেলিত কেশবপুর বাসির দির্ঘদিনের এই অভিশাপ থেকে মুক্ত করে শুরু হোক তার উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডের ধারাবহিকতা ##

