পাইকগাছা (খুলনা) থেকে আলাউদ্দীন রাজা:
পাইকগাছায় দু প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতি স্বেচ্ছাচারিতা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় কারন দর্শানো নোটিশ দিয়েছে বিভাগীয় উপ-পরিচালক।
জানা যায়, পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুজ্জামান ও আলমতলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ রায় বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের ১০ গ্রেড পাইয়ে দেয়ার জন্য কয়েক জন প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে সভা করে।
সেই সভায় অভিযুক্ত দু প্রধান শিক্ষক কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের নিবিড় ভাবে বুঝিয়ে ১০ম গ্রেড পাইতে হলে উপজেলার ১০৭ জন প্রধান শিক্ষক ও অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের ৬ হাজার ২শত টাকা করে দিতে হবে। সেই মোতাবেক অভিযুক্ত দু প্রধান শিক্ষক জনৈক শিক্ষক গাজী আব্দুল আলীমের মাধ্যমে মোবাইল ম্যাচেজ দিয়ে ৬ লক্ষ ৬৩ হাজার ৪শ টাকা উত্তোলন করেন ।
এ সব বিষয়ে দৈনিক প্রজন্ম একাত্তর পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়। পত্রিকার খবর ও অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা শিক্ষা অফিসার তদন্ত করে। বিষয়টি সত্যতা পান ও প্রমাণিত হয় এবং তদন্ত প্রতিবেদন বিভাগীয় উপ-পরিচালক বরাবর প্রেরণ করেন। প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগীয় উপ-পরিচালক ডঃ মোঃ শফিকুল ইসলাম অভিযুক্ত দু প্রধান শিক্ষক নুরুজ্জামান ও রবীন্দ্রনাথ রায় কে কেন বিভাগীয় মামলা রুজু ও বরখাস্ত করা হবে না মর্মে কারন দর্শানো নোটিশ দিয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ রায় জানান এ রকম নোটিশ কতো হলো,ডিজি তাই চাকরী ক্ষেতে পারে না, কোথায় বিভাগীয় উপ-পরিচালক। বিভাগীয় উপ-পরিচালক ডঃ মোঃ শফিকুল ইসলাম টেলিফোনে যোগাযোগ করে না পাওয়ায় মতামত পাওয়া যায়নি।

