পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।। পাইকগাছায় বিয়ে করে ২য় স্ত্রীকে বাড়িতে আনলে ১ম স্ত্রী জেসমিন বাঁধা দিলে স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা তাকে মারপিট করে আহত করেছে। আহত জেসমিন হাসপাতালে ৪দিন চিকিৎসাধীন রয়েছে। প্রসাশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। অভিযোগ জানা যায়, পাইকগাছা উপজেলার চরমলই গ্রামের কাসেম মোড়লের মেয়ে জেসমিন (৩৫) একোই গ্রামের আনোয়ার হোসেন(দফাদার)এর ছেলে আজমল হোসেন রাব্বুর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।এক পর্যায়ে ৬বছর আগে বিয়ে করে ঢাকায় বসবাস করে । তাদের স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মতানৈক্য দেখা দিলে আজমল হোসেন রাব্বু পালিয়ে এসে গত ২৮/৭/২২ বৃহস্পতিবার উপজেলার সোনাদানা আদর্শ গ্রামে এক মেয়েকে বিয়ে করে বাড়িতে আনেন। এ সময় জেসমিন বাঁধা দিলে জামাতা রাব্বু ও তার পরিবারের সদস্যরা তাকে বেধড়ক মারপিট করে আহত করেন। এ সময় স্হানীয়রা জেসমিন কে উদ্ধার করে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।আজ ৪ দিন জেসমিন হাসপাতালে বেডে কাতরাচ্ছে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক জানিয়েছেন। জেসমিনের মা নুরজাহান বেগম(৭০) জানান, আমার মেয়ের প্রতি যে নির্যাতন করা হয়েছে আমি প্রসাশনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। জেসমিনের স্বামী আজমল হোসেন রাব্বু এর পিতা গদাইপু্র ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার আনোয়ার হোসেন মোড়ল মারপিট করার কথা অস্বীকার করে বলেন, আমার ছেলে জেসমিন কে তালাক দিয়ে যথাযথ নিয়ম কানুন মেনে পুনরায় বিয়ে করেছে। পাইকগাছা থানার ওসি জিয়াউর রহমান বলেন এধরনের কোন অভিযোগ আমি পাইনি।
পাইকগাছায় ২য় বিয়ে করে বাড়িতে আনায় ১ম স্ত্রীর বাঁধা;স্বামী ওপরিবারেরমারপিটে ৪দিন হাসপাতালে। প্রসাশনের হস্তক্ষেপ কামনা

