শুক্রবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৭শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

পাটেকেল ঘাটায় সুদখোরের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

আরো খবর

সাতক্ষীরা ও পাটকেলঘাটা প্রতিনিধিঃ ব্যাবসায়ী সহযোগিতার নামে চড়া সুদে  ঋনের নামে ফাঁদে ফেলে নিশ্ব করার অভিযোগ উঠেছে মীর আছাদ নামে এক মহাজানের বিরুদ্ধে। আছাদ পাটকেলঘাটা থানার কুমিরা এলাকার মীর মোর্তজার ছেলে। রবিবার সকালে পাটকেলঘাটা বাজারের ডাকবাংলা এলাকায় মাহাবুব নামে এক ব্যাবাসায়ী সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ গুলো করেন।

তার লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, ২০১৫সালে ব্যাবসায়ী সুত্র ধরে পরিচয় হয় মীর আছাদের সাথে। এর তার সাথে লেনদেনে জড়ান তিনি।বিভিন্ন সময়ে তাদের মধ্যে লেনদেনের সম্পর্ক চলে আসছিল। প্রতি হালকাতায় সুদ সহ তার আছাদ তার ধার কৃত অর্থ নিয়ে যেত। ২০১৭সালে তার  দোকানে রাতের আঁধারে  ক্যাশ বাস্ক ভেঙে নগদ অর্থ সহ চেক  চুরি করে নিয়ে যায় দূর্বিত্তরা ।
পরে ঘটনাটি তিনি থানা পুলিশকে জানান। এরপর  সোশ্যাল ইসলামী শাখার  চেক বই  নং-৯০৩২৪৬৪ থেকে ৯০৩২৫৫৫ পর্যান্ত হারিয়ে গেছে বলে ২০/৮/২২সালে পাটকেলঘাটা থানায় একটি সাধারন ডায়রী  করেন তিনি। সাধারন ডায়েরী নং -১০৪০। তিনি আরো বলেন, এরপর মীর আছাদের সাথে সম্পর্কের অবনতি হলে তিনি এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় ২০লক্ষ টাকার আমার কাছে পাবেন মর্মে জানান।গত ২৮/৯/২০২২তারিখে কুমিরা হাই স্কুলে এক শালিশী বৈঠকে  কৌশালে তাকে ডেকে নিয়ে ১০০টাকা মূল্যের ৪টি নন জুডিশিয়াল সাদা স্টাম্পে সাক্ষর করিয়ে নেয় মীর আছাদ সহ তার সহযোগীরা।
ঘটনাটি অতিবাহিত হওয়ার কিছুদিন পর তিনি সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার বরারার মীর আছাদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দেন । পুলিশ সুপার তখন তালা সহকারী পুলিশ সুপারকে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেন। কিন্তু মীর আছাদ মোটাঅংকের অর্থের বিনিয়ময়ে তালা সহকারী পুলিশ সুপারকে ম্যানেজ করে আমার বিরুদ্ধে ২১লক্ষ টাকা  পাওনার মিথ্যা অভিযোগ এনে রির্পোট প্রদান করেন।
সম্প্রতি সে ওই ষ্টাম্প ও চেক দেখিয়ে ২১লক্ষ টাকার অভিযোগ এনে  মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে হয়রানী করার   পাঁয়তারা চালাচ্ছে। এই  হয়রানী থেকে রক্ষা পেতে তিনি   ২০/৬/২০২৩তারিখে সাতক্ষীরা অতিরিক্ত ম্যাজিট্রেড আদালতে আছাদ সহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।মামলা নং- সি আর১২৭/২৩। সবশেষ এই সুদখোর মহাজানের হয়রানী থেকে রক্ষা পেতে  সহ জীবনের নিরাপর্তা পেতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার সহ প্রধান মন্ত্রীর সুদৃৃষ্টি কামনা করেছেন। অভিযোগ অস্বীকার করে মীর আছাদ জানান, মাহাবুরের কাছে আমি ২০ লক্ষ টাকার বেশি পাবো। সে এখন পাওনা  টাকা দিবেনা বলে বিভিন্ন চাতুরতার আশ্রয় নিচ্ছে।আমি তার বিচার চাই।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ