শনিবার, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৮শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে ডাকাতরা

আরো খবর

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের চোখ ফাঁকি দেয়ার জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে ডাকাত সদস্যরা। ধনী ব্যক্তিদের টার্গেট করে ওই আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে একে অপরের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে ডাকাতি করছে একটি চক্র। যশোরের ডিবি পুলিশ এই চক্রের এক সদস্যকে ঢাকা থেকে আটক করেছে।
মূলত যশোরের অভয়নগর এবং নড়াইলের ব্যবসায়ী নেতার বাড়িতে সংঘটিত ডাকাতির ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে এই তথ্য পায় পুলিশ। আটক ওই ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ আমির (৩৫)। সে চট্টগ্রাম বন্দর থানার ১ নম্বর কাস্টমস আদর্শপাড়ার মৃত মজিবর রহমানের ছেলে। বর্তমানে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থানার দিঘলীপাড়া মা ম্যানসনের পঞ্চমতলার ভাড়াটিয়া। তার কাছ থেকে পুলিশ ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত একটি পকেট রাউডার ও মোবাইল ফোনসেট জব্দ করেছে।
ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, গত বছরের ১৯ অক্টোবর অভয়নগর উপজেলার গোয়াখোলা গ্রামের জহিরুল হক লিখনের বাড়িতে এবং নড়াইল সদর উপজেলার নাসিমদিয়া গ্রামের চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি হাসান্জ্জুামানের বাড়িতে চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি ডাকাতি হয়। এই ঘটনা দুইটি তদন্ত করে পুলিশ বিশেষ করে অভয়নগর থানায় দায়ের করা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদ্যর্শক মিলন কুমার মন্ডল আসামি আমিরের খোঁজ পান। ডিবি পুলিশের সহযোগিতায় গত রোববার ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে আমিরকে আটক করে। তার কাছ থেকে একটি অধুনিক পকেট রাউডার, লুণ্ঠিত সোনার গহনা বিক্রির নগদ ৫৬ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোনসেট জব্দ করে।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোহাম্মদ আমির জানিয়েছেন, তারা পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে পকেক রাউডার ব্যবহার করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তার গ্রুপের সদস্যদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে। এরপর দেশের বিভিন্ন স্থানে ধনী ব্যক্তিদের বাড়ি বা প্রতিষ্ঠান টার্গেট করে ডাকাতি করে থাকে। এই ডাকাত দলের মুলহোতার বা লিডারের নাম আসলাম। সে বাগেরহাটের কচুয়া থানা পুলিশের হাতে কিছুদিন আগে আটক হয়। এই গ্রুপের আরো ৪জন সদস্য বাগেরহাটে আটক রয়েছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ