শুক্রবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৭শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

প্রথম রমজানে যশোরে ইফতারি বাজার ছিল সরগরম

আরো খবর

এম.এইচ.উজ্জল: রমজানের প্রথম দিন। প্রথম ইফতার। যশোরের অলিগলিতে বাহারি ইফতারে পসরা সাজিয়েছে দোকানিরা। বিকেলের পর পুরো যশোরের রূপ নিয়েছে ইফতারির বাজারে। তবে শুক্রবার বন্ধ থাকার কারনে দিনের বেলা রাস্তাঘাটে মানুষের উপস্থিতি ছিল খানিকটা কম।

তবে দুপুর গড়ালে পাল্টে যেতে শুরু করে শহরের হালচাল। সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত জমপেশ ইফতারের বিকিকিনি চলে। নামকরা হোটেল রেস্টুরেন্ট থেকে রমজানকে কেন্দ্র করে রাস্তার পাশে গড়ে ওঠা খন্ডকালীন ইফতারের দোকানগুলোয় রোজাদাররা রীতিমতো ভিড় জমান। হাঁকডাক ছেড়ে চলে ইফতার বিক্রি। শহর ঘুরে দেখা যায়, হোটেল রেস্টুরেন্টগুলোর সামনে বাড়তি অংশে সাজানো হয়েছে বাহারি সব ইফতারের পসরা।

এসব প্রতিষ্ঠানের ইফতারের আইটেমে ছোলা, পেঁয়াজু, বেগুনি, আলুর চপ, ফুরির পাশাপাশি ছিল বিভিন্ন ধরনের কাবাব; যেমন জালি কাবাব, কাঠি কাবাব, শিক কাবাব ও নানা রকমের মাংসের গ্রিল প্রাধান্য ছিল। এদিকে শহরের রাজপথজুড়ে গড়ে তোলা মৌসুমি ইফতারের দোকানেও নানান পদের ইফতার সামগ্রীর কমতি ছিল না। এসব ইফতারের দোকানে আলুর চপ, রসুনের চপ, কলিজার চপ, মাংসের কিমার চপ, ডিমের চপ, মাশরুমের চপের পাশাপাশি ছোলা, পেঁয়াজু, বেগুনি, ফুলুরির মতন ইফতারি বিক্রি হতে দেখা যায়। এমনকি শহরের পাড়া-মহল্লার হোটেলগুলোর পাশাপাশি মৌসুমি ইফতারের দোকানে নানা ধরনের ইফতারি বিক্রির ধুম পড়ে যায়।

ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে চাকরিজীবী, স্কুল কলেজের শিার্থী, মেস বাড়ির বাসিন্দা ও নানা শ্রেণীপেশার মানুষ হোটেল রেস্তরাঁ ও মৌসুমি ইফতারের দোকান থেকে ভিড় জমিয়ে ইফতার কেনেন। অপরদিকে বিকেল চারটার পর থেকে ফুটপাথের ইফতারের দোকানগুলোতে মধ্য ও নিম্নবিত্ত পরিবারের ক্রেতাদের আনাগোনা শুরু হয়। এদিকে ব্যবসায়ীরা বলছে সব কিছুর দাম বাড়ার কারনে ইফতারির দামও বেড়েছে ফলে গত বছরগুলোর তুলনায় এবার বিক্রিও কিছুটা কমেছে। একদিকে শুক্রবার মার্কেট বন্ধ থাকে সাথে সরকারি ছুটির দিন এবং প্রথম রোজা তাই বেচাকেনা একটু কম হয়েছে। তবে সামনের দিনগুলোতে ভাল বিক্রির আশা করছে ইফতার বিক্রেতারা।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ