প্রার্থীদের গণসংযোগ আর প্রচার-প্রচারণায় জমে উঠছে আসন্ন কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচন
আব্দুল্যাহ আল মাহফুজ
আগামী ২৮ ডিসেম্বর পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রার্থীদের গণসংযোগ আর প্রচার-প্রচারণায় জমে উঠছে আসন্ন কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচন। পৌরসভার রাস্তাঘাট, অলিগলি ও পাড়া-মহল্লা এখন মিছিল, স্লোগানমুখর। ব্যানার-ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে পুরো শহর। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে বসতবাড়িতেও এখন আলোচনার বিষয় শুধু নির্বাচন। প্রার্থীরা ভোট চেয়ে চষে বেড়াচ্ছেন তাদের নির্বাচনী এলাকা। নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থীরা অংশ নিয়েছেন। আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়রপ্রার্থী বর্তমান মেয়র রফিকুল ইসলাম মোড়ল ব্যাপক গণসংযোগ করে বেড়াচ্ছেন। পাশাপাশি সমানভাবে চালাচ্ছেন উঠান বৈঠক ও মাইকিং। জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমি মেয়র থাকাকালীন পৌরসভাকে উন্নীত করার চেষ্টা করেছি পাড়ায় পাড়ায় রাস্তা ও ড্রেন হয়েছে। অসহায় লোকজন পেয়েছেন বিধবা ও বয়স্ক ভাতার কার্ড। দেয়া হয়েছে মাতৃত্বকালীন ভাতা। বিশেষ করে শহরের সড়কে রাতে বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হয়েছে। পৌরবাসী পেয়েছেন সুন্দর আধুনিক পৌর শহর। জমির মূল্য বেড়েছে কয়েকগুণ জলাবদ্ধতা থেকে কেশবপুর পৌরসভা রক্ষা করেছি নিয়মিত ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার হচ্ছে। মেয়র হিসেবে করোনাকালীন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছি। পৌরবাসীর ঘরে-ঘরে পৌঁছে দিয়েছি চাল-ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী। এখন সিদ্ধান্ত নেবেন ভোটাররা কাকে মেয়র বানাবেন। অন্যদিকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আব্দুস সামাদের পক্ষে দলীয় নেতাকর্মীদের তেমন একটা প্রচারণায় দেখা মিলছে না। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী বলেন আমি দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছি তিনি ভোট সুষ্ঠু হবে বলে আশাবাদ ব্যাক্ত করেছেন একইভাবে নিজ নিজ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করে পাড়া-মহল্লা চষে বেড়াচ্ছেন কাউন্সিলর ও মহিলা প্রার্থীরাও। সবাই নিজ নিজ প্রতীকে ভোট দিতে ভোটারদের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছেন। আগামী ২৮ ডিসেম্বর ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে প্রথমবারের মতো কেশবপুর পৌরসভায় ভোটগ্রহণ হবে”
