বসুন্দিয়া (যশোর) প্রতিনিধি
প্রকাশ্যে মহাসড়কে নসিমন ও ভ্যান থামিয়ে চাঁদাবাজি করার সময় ফেরদৌস ওরফে ফিরোজকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল ৩ আগস্ট বুধবার দুপুরে ২টায় যশোর সদরের বসুন্দিয়া মোড় যশোর-খুলনা মহাসড়কে।
জানা গেছে, স্থানীয় বানিয়ারগাতী গ্রামের মৃত মোতালেব শেখের ছেলে ফেরদৌস ওরফে ফিরোজ দির্ঘদিন ধরে পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে বসুন্দিয়া মোড় বাস স্ট্যান্ডে নসিমন ও ভ্যান চালকদের কাছ থেকে জোর পূর্বক চাঁদা আদায় করে আসছে। সরকার ঘোষিত উল্লেখিত যানবাহন মহাসড়কে চলাচলে নিষিদ্ধ হওয়ায় এসব যানবাহনের চালকদেরকে স্থানীয় পুলিশ ক্যাম্প ও হাইওয়ে পুলিশের ভয় দেখিয়ে এক প্রকার জিম্মি করার কারনেই তারা বাধ্য হয়ে ফেরদৌসকে চাঁদা দিয়ে আসছিল। সর্বশেষ গতকাল দুপুরে রূপদিয়া থেকে কাঠ বোঝাই করে নওয়াপাড়া যাওয়ার পথিমধ্যে বসুন্দিয়া মোড় বাসস্ট্যান্ড অতিক্রমকালে চাঁদাবাজ ফেরদৌস নসিমন চালক ইসারতকে মাহসড়কের মাঝ বরাবর থামিয়ে তার নসিমনের স্টার্ট বন্ধ করে রাখে এবং তার কাছে এক হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। কিন্তু নসিমন চালক তাকে চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় সে তাকে গালিগালাজসহ বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখায় ও তার নসিমন বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পে আটকে রাখার হুমকি দেয়। এসময় পার্শ্ববর্তী লোকজন বিষয়টি লক্ষ্য করে বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ কামরুজ্জামানকে মোবাইল ফোনে অবহিত করলে এ ব্যাপারে তার কিছু করার নেই বলে জানিয়ে দেন। এসময় ট্রাফিক পুলিশের এস.আই কবির হোসেন বসুন্দিয়া মোড় বাস স্ট্যান্ডে দায়িত্বপালন করাকালে বিষয়টি তার নজরে আসে এবং তিনি নসিমনটিকে মহাসড়কের নিচে সরিয়ে নিয়ে উভয়ের বক্তব্য শুনতে থাকেন। একপর্যায়ে বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এস.আই কামরুজ্জামান, এ.এস.আই পিয়ারুল ইসলাম ও এ.এস.আই সাইফুল ইসলাম সেখানে উপস্থিত হয়ে সব কিছু শুনে ফেরদৌসকে আটক করে এবং নসিমনসহ চালক ইসারতকে বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পে নিয়ে যান। এ ব্যাপারে বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ এস.আই কামরুজ্জামানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফেরদৌস ওরফে ফিরোজকে চাঁদাবাজির মামলায় চালান দেয়া হবে।

