শুক্রবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৭শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে চালু হলো কলিকাতা খুলনা বন্ধন এক্সপ্রেস, যাত্রীদের মধ্যে সৃস্টি হয়েছে বিপুল উৎসাহ উদ্দিপনা

আরো খবর

 

বেনাপোল প্রতিনিধি:অবশেষে দীর্ঘ প্রতিক্ষার ২৬মাস পর বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে আন্তঃদেশীয় কলিকাতা খুলনা বন্ধন এক্সপ্রেস যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। রোববার কলিকাতা থেকে ছেড়ে ট্রেনটি ৯টা৫০মিনিটে বেনাপোল রেল ষ্টেশনে এসে পৌছায়। এসময় যাত্রীদের ফুলদিয়ে বরন কেরে নেন রেল কর্তৃপক্ষ। দু দেশের মধ্যে সোহার্দ সম্প্রীতির অংশ হিসাবে ট্রেন চালুতে খুশি যাত্রীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। করোনার কারনে ২০২০সালের ১৫মার্চ থেকে বন্ধন এক্সপ্রেস চলাচল বন্ধ হয়। সংক্রমণ কমে আসায় আন্তঃদেশীয় ট্রেন চলাচলে সিন্ধান্ত নেয় বন্ধু প্রতিম রাষ্ট্র ভারত ও বাংলাদেশ। ফলে আবাওর চালু হলো বন্ধন ও মৈত্রী ট্রেন সার্ভিস। ২০১৭ সালের ১৬ নভেম্বর কলকাতা-খুলনার মধ্যে ৪৫৬ আসনের ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’ চলাচল শুরু করে। বৃহস্পতিবার ও রবিবার দু’দিন চলবে ট্রেনাট। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এ ট্রেনে কেবিনের ভাড়া ভ্রমণ করসহ ২হাজার ৫৭টাকা ও চেয়ার কোচ ১৪শ৩৫ টাকা। বেনাপোল রেল ষ্টেশনেই পাসপোর্ট,ভিসাসহ ইমিগ্রেশনের যাবতীয় কাগজপত্র পরীক্ষা করে সরাসরি খুলনা ও কলকাতার মধ্যে যাতায়াত করেন যাত্রীরা।সপ্তাহের প্রতি বৃহস্পতিবার সকালে ট্রেনটি কলকাতা থেকে ছেড়ে আবার বিকালে খুলনা থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে ফিরে আসবে।

বেনাপোল রেলেওয়ে ষ্টেশন মাস্টার সাইদুল ইসলাম জানান,ট্রেনটির ৪৫৬ আসনের মধ্যে ৩১২টি এসি চেয়ার ও ১৪৪টি প্রথম শ্রেণির আসন রয়েছে। কলকাতা-খুলনার মধ্যে দূরত ¡১৭২কিলোমিটার।বাংলাদেশ অংশে৯৫ কিলোমিটার ও ভারতাংশে ৭৭ কিলোমিটার।

দেশের সরকারের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক থাকায় চালু হলো বন্ধন এক্সপ্রেস।রেল কর্তৃপক্ষ যাত্রীসেবায় কাজ করে যাচ্ছেন। ফলে উপকৃত হবে দুদেশের মানুষ। ট্রেনটি ফের চালু হওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে বিপুল উৎসাহ উদ্দিপনা সৃষ্টি হয়েছে।

 

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ