নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মাহমুদুল হক বলেছেন, বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতায় দেশে মামলা জট মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। এতে যেমন অর্থের অপচয় হচ্ছে, তেমনি জনগণ হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
বিচার প্রক্রিয়ার সাথে সম্পৃক্ত সকলে আন্তরিক ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তির অস্বাভাবিক লম্বা সময় কমিয়ে সহনশীল পর্যায়ে আনতে হবে।
রোববার যশোর জেলা ও দায়রা জজ আদালত চত্বরে আগত বিচার প্রার্থী ও সাধারণ জনগণের জন্য নির্মিত বিশ্রামাগার ‘ন্যায়কুঞ্জ’ উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
যশোরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ নাজমুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মাইনুল হক, স্পেশাল জজ (জেলা ও দায়রা জজ) নূরুল ইসলাম, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা জাহাঙ্গীর, জিপি আব্দুল মোহায়মেন এবং পিপি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু।
অনুষ্ঠানে আইনজীবী সমিতির সভাপতি আবু মোর্ত্তজা ছোট, সাধারণ সম্পাদক এমএ গফুর, দুর্নীতি দমন কমিশনের পিপি সিরাজুল ইসলাম, নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের পিপি আব্দুল লতিফ লতা, মঈনুল হক খান ময়না, নূর আলম পান্নু, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নাজির বাবর আলী প্রমূখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, ধনী লোকেরা সাধারণত আদালতে আসেন খুবই কম। বিচার প্রার্থী সাধারণ মানুষ আদালতে এসে দীর্ঘ সময় অবস্থানকালে সীমাহীন কষ্ট ভোগ করেন। তাদের কষ্ট কিছুটা লাঘবে সরকার ‘ন্যায়কুঞ্জ’ প্রতিষ্ঠা করেছে।
উল্লেখ, যশোর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে চত্বরে এক হাজার বর্গফুটের এই বিশ্রামাগার নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে ২০২৩ সালে।
নির্মাণ কাজ শেষ হলে জেলা ও দায়রা জজের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে ২০২৪ সালের ১৮ জুন। বিশ্রামাগারটি গতকাল রোববার আদালতে আগত জনগণের বিশ্রামের জন্য উন্মুক্ত করা হলো।
এটি আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গণপূর্ত অধিদপ্তর এবং আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণাণয়ের তত্বাবধামে নির্মিত হয়েছে।

