শনিবার, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৮শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

বিষমুক্ত আগাম ফুলকপি চাষে সফল মনিরামপুরের কৃষক সাহাবুদ্দিন

আরো খবর

নিজস্ব প্রতিবেদক :যশোরের মনিরামপুরে নিরাপদ ও লাভজনক আগাম ফুলকপি চাষে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন পৌরসভার মহাদেবপুর গ্রামের কৃষক মো. সাহাবুদ্দিন। উপজেলা কৃষি অফিসের সহায়তায় এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বি. এম. হাফিজুর রহমানের তত্ত্বাবধানে ‘নিরাপদ উচ্চমূল্য সবজি উৎপাদন প্রদর্শনী’ হিসেবে এ চাষ বাস্তবায়ন করা হয়।
মনিরামপুর উপজেলা কৃষি অফিসের সহায়তায় সাহাবুদ্দিন ২০২৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ‘নিমজা’ জাতের আগাম ফুলকপি রোপণ করেন ২০ শতক জমিতে। সম্পূর্ণ বিষমুক্ত ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে এই চাষ পরিচালিত হয়েছে। কীটনাশক ব্যবহারের পরিবর্তে পোকামাকড় দমনে তিনি ২০টি সেক্সফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করেছেন।
বর্তমানে তার জমির ফুলকপিগুলো বাজারজাতের উপযোগী হয়ে উঠেছে। সাহাবুদ্দিনের আশা, এই ২০ শতক জমি থেকে তিনি প্রায় তিন লাখ টাকা আয় করতে পারবেন। এ সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি আরও ১০০ শতক জমিতে ফুলকপি চাষ শুরু করেছেন।
এই প্রদর্শনীটি বাস্তবায়িত হয়েছে যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বি. এম. হাফিজুর রহমান বলেন,“উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছাঃ মাহমুদা আক্তারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ‘নিরাপদ উচ্চমূল্য সবজি উৎপাদন প্রদর্শনী’ প্রকল্পের আওতায় এই ফুলকপি চাষ বাস্তবায়িত হয়েছে। কৃষক সাহাবুদ্দিন অত্যন্ত যত্নসহকারে আধুনিক ও বিষমুক্ত পদ্ধতিতে আগাম ফুলকপি চাষ করেছেন। তার এই সাফল্য প্রমাণ করে, সঠিক পরামর্শ ও প্রযুক্তি ব্যবহারে কৃষকরা স্বল্প জমিতেও লাভবান হতে পারেন। সাহাবুদ্দিনের সফলতা ইতিমধ্যে আশপাশের কৃষকদের মধ্যেও আগ্রহ সৃষ্টি করেছে, যা মনিরামপুরে নিরাপদ সবজি উৎপাদন সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

আরো পড়ুন

সর্বশেষ