কেশবপুর প্রতিনিধি: কেশবপুরের
চাষিরা পাট কেটে বিপাকে, পানির অভাবে জাঁক দিতে
না পারাই রোদে শুখিয়ে নষ্ট হচ্ছে দেশের অন্যতম
অর্থকারী ফসল সোনালি আশ পাট।
দক্ষিণ যশোেেরর কেশবপুর-মনিরামপুর উপজেলার
মাঠের পর মাঠ পাট চাষ করেছন এলাকার কৃষক।
কৃষি অফিস সুত্র জানায়,চলতি বছর জেলায় লক্ষ
মাত্রার অধিক জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে।
ফলনও আশানুরূপ। কিন্তু বিপত্তি ঘটেছে
অনাবৃষ্টি। বিশেষ করে যে সকল চাষি পাট কেটে
একই জমিতে আমনধান রোপন করবেন,তারা পাট
কাটার পর পাট পচানোর জন্য পানির অভাবে মহা
বিপাকে আছেন। একদিকে আমনের মৌসুম শেষের
পথে আমণের চারা রোপনে মরিয়া,আপর দকে
খালবিল কোথাও পানি না থাকায় বহু কৃষকের পাট
পচানোর অভাবে কাটা পাট শুখিয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
কেশবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসেন
জানান, চলতি বৎসর কেশবপুর উপজেলায় পাট
চাষের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১২
হাজার হেক্টর জমি। সেখানে চাষাবাদ হয়েছে প্রায়
১২ হাজার ৬শত হেক্টর জমিতে।যা গত বারের
রেকর্ড ভঙ্গ করে। এত কিছুদর পরও কৃষকের
মুখে হাসি নেই।এবিষয়ে কৃষি কর্মকর্তা এ
প্রতিনিকে জানান, উপজেলা কৃষ অফিসেন পক্ষ
থেকে স্থানীয় ব্লক সুপারভাইজার দের নির্দেশ
দেয়া হয়েছে, চাষিদের পরামর্শ দিতে যাতে চাষিরা
স্বউদ্যোগে পানি সেচ দিয়ে পাট পচানোর উদ্যোগ
নেয়। ভাল্লুকঘর গ্রামের কৃষক আব্দুল কিরম
জানান, তার দেড় বিঘা জমির পাট কাটর উপযোগী
হলেও পানির ব্যবস্থা না থাকায় পাট কাটতে
পারছেন না। এবছর বৃষ্টিপাত গত বছের তুলনাই একেবারে কম।

