শনিবার, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৮শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

বৃহস্পতিবার কেশবপুর হানাদার মুক্ত দিবস 

আরো খবর

 কেশবপুর প্রতিনিধিঃকেশবপুর হানাদার মুক্ত দিবস বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর)। ১৯৭১ সালের এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা জয় বাংলা শ্লোগান দিয়ে কেশবপুর থানায় প্রবেশ করেন। এ সময় থানার পতাকা স্ট্যান্ড থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ গাজী পাকিস্তানের পতাকা নামিয়ে ওই পতাকা স্ট্যান্ডে বাংলাদেশের ম্যাপ সমৃদ্ধ লাল সবুজের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেন।
এ সময় কেশবপুর হানাদার মুক্ত ঘোষণা করা হয়। এ দিন কেশবপুরের প্রবেশ পথে ত্রিমোহিনী সড়কের ভোগতী কালারবাসা মোড়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অভ্যর্থনা জানান আওয়ামী লীগ নেতা ডাক্তার রওশন আলী, ডাক্তার গোলাম রব্বানি, আনোয়ার হোসেন বিশ্বাস প্রমুখ।
৭ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের আগমনের খবর পেয়ে এদিন ভোরে কেশবপুর শহরের বালিকা বিদ্যালয়ে অবস্থানরত রাজাকার ও পাকিস্তান সেনাবাহিনী ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়ে যায়।
বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে অনেকেই এদিন কেশবপুরে ফিরে এলেও মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া উপজেলার মঙ্গলকোট গ্রামের আব্দুল খালেক ও মধ্যকুল গ্রামের দৌলত বিশ্বাসকে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে অন্যান্য বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাধ্যমে জানা যায়, যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার উজুলপুর গ্রামে আব্দুল খালেক ও মণিরামপুরের চন্ডিপুর গ্রামে দৌলত বিশ্বাস পাকসেনাদের সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে শহীদ হন। ১৯৯৬ সালে কেশবপুরের সাবেক এমএনএ সুবোধমিত্রের নেতৃত্বে চন্ডিপুর গ্রামের মাঠে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা দৌলত বিশ্বাসের কবর শনাক্ত করা হয়।
উল্লেখ্য ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর সারাদেশের মধ্যে যশোরকে সর্বপ্রথম হানাদার মুক্ত ঘোষণা করা হয় । এ উপলক্ষে যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদকের এস এম নেয়ামতুল্ল্যার নেতৃত্বে কেশবপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর ম্যূরালে পুস্তক অর্পোণ করা হয়।#

আরো পড়ুন

সর্বশেষ