বিশেষ প্রতিনিধি
যশোর শহরের বেজ পাড়ার আসাদুজ্জামান আসাদ ওরফে বুনো আসাদকে হত্যা প্রচেস্টার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বেজপাড়া সাদেক দারোগার মোড়ে তাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার চেস্টা চালায় দুবৃত্তরা। গভীর রাতে মামলাটি করেন, শহরের বেজপাড়া (বনানী পাড়া) এলাকার বুনো আসাদের ছোট ভাই সাহিদুর রহমান। মামলায় আসামীরা হচ্ছে,মাঠপাড়া ( সুমনের বাড়ির ভাড়াটিয়া) কাসেমের ছেলে হাসান ওরফে খাবড়ী হাসান, বেজপাড়া (বনানী রোড) আক্কাচের ছেলে চঞ্চল, একই এলাকার দাউদ মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া খোকনের ছেলে আকাশ ও শহরের চাঁচড়া রায়পাড়ার বিপ্লবসহ অজ্ঞাতনামা ৫/৭জন। পুলিশ হামলার সাথে জড়িত মামলার আসামি চঞ্চল আহম্মেদকে নাজির শংকরপুর সাদেক দারোগার মোড় এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। বুধবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
সাহিদুর রহমান মামলায় উল্লেখ করেন,তার আপন বড় ভাই আসাদুজ্জামান আসাদ নিজ বাড়িতে গরুর খামার করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। গত ৮নভেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭ টায় আসাদ শহরের বেজপাড়া সাদেক দারোগার মোড় নুরুন্নাহার হোমিও হল নামক ঔষধের দোকানে ঔষধ কিনতে যায়। পূর্ব পরিকল্পিতভাবে খুন করার উদ্দেশ্যে পূর্ব হতে ওৎপেতে থাকা উল্লেখিত আসামীগন আসাদকে পিছন হতে কোন কথাবার্তা না বলে হাসান ওরফে খাবড়ী হাসান বার্মিজ চাকু দিয়ে বুকের পাজোরের ডান পাশে আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। তৎক্ষনিক বাদির ভাই মাটিতে পড়ে গেল অন্যান্য আসামীরা এলোপাতাড়ী লাথি,কিল,ঘুষি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। আসাদের পকেটে থাকা নগদ ১২ হাজার টাকা চঞ্চল কেড়ে নেয়। আসাদ প্রাণে বাঁচার জন্য ডাক চিৎকার দিয়ে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা খুন জখমের হুমকী দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় আসাদকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। বর্তমানে সেখানে আসাদ চিকিৎসাধীন রয়েছেন।#
বেজপাড়ার আসাদ হত্যা প্রচেস্টার ঘটনায় মামলা,এক সন্ত্রাসী গ্রেফতার

