সমীর রায়, আশাশুনি : অপরিকল্পিত নদী খননের ফলে বেতনা নদীর অব্যহত ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার শঙ্কায় রয়েছে আশাশুনির বুধহাটা বাজার।
আশাশুনি প্রেসক্লাবের সভাপতি এসকে হাসান জানান, ২০ বছর আগে থেকেই বাজারের পূর্ব-দক্ষিণ অংশে, মূল বাজারের পূর্ব অংশ এবং উত্তর-পশ্চিম দিকে যেমন ভাঙন ছিল তেমনি অপর দিকে বাহাদুরপুর অংশে পলি জমে নদী ভরাট হয়ে যায়। ফলে বাজার ও সংলগ্ন এলাকা ভেঙ্গে বাজারকে সংকুচিত করে ফেলে।
নদী খননের সময় ভরাট হওয়া অংশ কেটে স্রোতকে ডাইভাট করার দাবী ছিল সকলের। যাতে ভাঙ্গন কূলকে রক্ষা করা সম্ভব হয় এবং সিএস-ডিএস ম্যাপ অনুযায়ী নদীর সকীয়তা ফিরতে পারে। কিন্তু খনন কাজের সময় অপরিকল্পিত ভাবে ভাঙ্গন কুলকে রক্ষার কোন ব্যবস্থা না করে ভরাট স্থানকে অটুট রেখে বলতে গেলে ভাঙ্গন স্থান দিয়ে খনন কাজ করা হয়। ফলে আবারও বাজার এলাকা ও পাশের প্রায় ৫ শত হাত এলাকায় পুনরায় ভাঙ্গন লোগেছে। ইতিমধ্যে ২/৩ হাত করে বাঁধের মাটি নদীতে চলে গেছে।
নদী পারাপারে ব্যবহৃত নৌকা ঝুঁকি নিয়ে যাত্রী পারাপার করছে। কয়েকদিন পূর্বে খেয়া নৌকা নদীর তীরে আসার মুহুর্তে বাঁধের মাটি ভেঙ্গে পড়লে যাত্রীরা নৌকা ডুবির শিকার হন। নৌকায় থাকা শিশু যাত্রীর প্রাণ নিয়ে টানাটানি পড়েছিল। কোন রকমে প্রাণে বেঁচে গেলেও বিপজ্জনক পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছিল।
জজ কোর্টের এপিপি ও উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য এড. শহিদুল ইসলাম জানান, নদী ভরাট হওয়া মাটি কেটে স্রোতকে ডায়ভার্ট করে ভাঙ্গন রোধের ব্যবস্থা করতে হবে। তা না করলে বুধহাটা বাজার ও সংলগ্ন এলাকার ভাঙ্গন রোধ সম্ভব হবেনা। তিনি দ্রুত প্রকৃত নদী ভরাট হওয়া মাটি কেটে ব্যবস্থা নিতে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

