শনিবার, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৮শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

বেনাপোলে ট্রাক চাপায়্ মেধাবী স্কুল ছাত্র্রী নিহতঃএক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মাানববন্ধন

আরো খবর

শার্শা/ বেনাপোল প্রতিনিধি: বেনাপোলে ট্রাক চাপায় অনিকা আক্তার অরিফা নামে এক স্কুল ছাত্র্রী নিহতের  প্রতিবাদ মিছিল ও মানব বন্ধন করেছে  বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

রবিবার সকালে বেনাপোল  কাষ্টম হাউজের সামনে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মাানব বন্ধন করে তারা। এর আগে প্রতিবাদ র‌্যালি বেনাপোল বাজার প্রদক্ষিন করে।
বেনাপোল কলেজ বেনাপোল মরিয়ম মেমেরিয়াল বালিকা বিদ্যালয় সহ বিভন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্টান ও সংগঠন মানব বন্ধনে অংশ গ্রহন করে।
 মানববন্ধন থেকে অবৈধ পার্কীং ও সিরিয়াল বন্ধ করা,ফুটপথ দখলমুক্ত করা,হত্যাকারী চালকের দৃষ্টান্তমুলক শান্তি,সড়ক যাানজট মুক্ত রাখা,নিহত অনিকার পরিবারের ক্ষতিপূরন,ট্রাফিক সিগনাল  ও স্থায়ী ট্রাফিক,নিরাপদ সড়কের ব্যা্বস্থা করা সহ একটি হাসপাতাল নির্মানের দাবি জানানো হয়েছে।
 বেনাপোল স্থলবন্দরের  বড়আচড়া চেকপোস্ট এলাকায় বুধবার (২ আগস্ট ) সকালে ‍রপ্তানিকৃত পন্যবাহী ট্রাকের চাপায় পিষ্ট হয়ে আরিফা ইসলাম আনিকা (১৩) নামে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী নিহত হয়। নিহত আনিকা বড়আঁচড়া গ্রামের আলমগীর হোসেনের মেয়ে ও বেনাপোল মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। পুলিশ চালককে আটক করেছে।
নিরাপদ সড়ক হোক স্বস্তি ফিরে আসুক বেনাপোলে এমনটাই জোরালো দাবী সচেতন পৌর নাগরিকদের।
সমাবেশে বলা হয়. আমরা আমাদের সহপাঠীর মৃত্যুর দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করছি। আর যেন কোন মায়ের কোল শূণ্য না হয়।
নিরাপদ সড়কের দাবিতে সবাই আন্দোলনে নেমেছি। সরকারের কাছে আমাদের একটাই দাবি, সরকার যেন আমাদের জন্য নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রমজান আলী নিহত স্কুল ছাত্রীর পরিবারের ক্ষতিপূরণ, দোষিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সড়ক সংস্কার ও নিরাপদ সড়কের দাবি জানান।
প্রতিবাদ সমাবেশে স্কুলের সহকারি প্রধান শিক্ষক ইনতাজুল ইসলাম জানান, বন্দরের জায়গা সংকটের কারনে ভারতে রপ্তানিমুখী ট্রাক টার্মিনালটি এখন ক্রেন ও ফর্কলিফট এর গ্যারেজ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। যার ফলে বেনাপোলের প্রধান সড়কটির ২ কিলোমিটার জায়গা জুড়ে প্রতিনিয়ত রাখা হচছে শত শত ট্রাক।
সে কারণেই স্কুল, কলেজ পড়ুয়া ও এলাকার সাধারণ মানুষেরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পারাপার হতে গেলে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে অকালে প্রাণ হারাচ্ছেন।
আমরা বেনাপোল বন্দরের প্রধান সড়কে প্রতিদিনের এ তীব্র যানজটের প্রতিকার চাই। যাতে আমাদের কমলমতি শিক্ষার্থীরা নিরাপদে যাতায়াত করতে পারে। পাশাপাশি স্কুলের সামনে স্পীড ব্রেকার বসানোর দাবি জানান তিনি।
এলাকার ব্যবসায়ীরা জানান, বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি ট্রাকে এর আগেও সড়ক দুর্ঘটনায় শিকার হয়ে অনেক প্রাণ ঝড়েছে। কিন্তু প্রশাসন এ ব্যাপারে কোনো প্রকার নজরদারি করছে না বলে অভিযোগ করেন তারা। টার্মিনাল নির্মাণ করা হলেও সড়কের উপরে বাস ট্রাক রেখে প্রতিনিয়ত যানজট তৈরি করছে একটি মহল। দীর্ঘদিনের নানা অনিয়ম ও অব্যস্থাপবার মধ্য দিয়ে বন্দরটি চললেও কোনো মাথা ব্যাথা নেই। এর পরিত্রান চান তারা।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ