নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর বেনাপোলে গৃহবধূ রেশমা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্বামী আব্দুল সালাম মোড়লকে যশোর পিবিআই সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নূরনগর গ্রাম থেকে আটক করেছে। সে যশোর জেলার শার্শার পাঁচভূলট গ্রামের বর্তমানে ছোট আচড়ার জয়নাল আবেদীনের ছেলে।
সোমবার তাকে আদালতে সোপর্দ করলে সে স্ত্রীকে হত্যার কথা আদালতে স্বীকার করে।,গত রোববার ২৭ আগষ্ট সকাল সাড়ে ৭ টায় হত্যাকারী আব্দুস সালামের বর্তমান ভাড়াটিয়া বাসা মামলার বাদি রেশমা খাতুনের বোন রক্তাক্ত মৃতদেহ দেখতে পান। এর পর বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশকে অবহিত করেন। এর পর রেশশা খাতুনের মৃত দেহ যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করেন। এদিকে পিবিআই যশোর ইউনিট ঘটনা সম্পর্কে রোববার ২৭ আগস্ট রাত সাড়ে ১০ টায় সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর থানার নূরনগর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের বসত বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আব্দুস সালামকে আটক করে। আটকের পর আব্দুস সালাম মোড়ল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পিবিআই কর্মকর্তাকে জানান, ভিকটিম রেশমা খাতুন তার দ্বিতীয় স্ত্রী। অনুমান ১২ বছর পূর্বে ভিকটিম এর সাথে তার বিবাহ হয়।
ভিকটিম রেশমা খাতুনকে বিয়ের সময় ভিকটিম এর পূর্বের স্বামীর ঔরষের একটি পুত্র সন্তান ছিল। তার নাম তামিম। বাদীর ঔরষে ভিকটিম এর গর্ভে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। তার নাম তামান্না খাতুন (৫)। অনুমান ৩/৪ বছর পূর্ব থেকে ভিকটিম এর সাথে আসামি আব্দুস সালাম এর পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কলহ বিবাদ চলে আসছিল। এমতাবস্থায় গত ২৭ আগষ্ট গভীর রাতে ভিকটিম রেশমা খাতুনের সাথে আব্দুস সালাম এর পারিবারিক বিষয়াদি নিয়ে ঝগড়ার সৃষ্টি হয়। ঝগড়ার একপর্যায়ে আব্দুস সালাম নিজ ঘরে থাকা কুড়াল দিয়ে ভিকটিমের মাথায় স্বজোরে আঘাত করে হত্যা করে বলে স্বীকার করে। উক্ত ঘটনায় রেশমা খাতুনের ভাই বাদী হয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে ।

