নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শহীদ আব্দুল্লাহর কবর জিয়ারত এবং ২০১৬ সালে গুম হওয়া সাবেক ছাত্রনেতা রেজোয়ান আহমেদের পরিবারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে সার্বিক খোঁজ খবর নেন।
মঙ্গলবার (২২ জুলাই) বিকালে যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল সীমান্তবর্তী বড়আঁচড়া গ্রামে শহীদ আব্দুল্লাহর বাড়িতে গিয়ে শহীদ আব্দুল্লাহর কবর জিয়ারত করেন। এ সময় শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।
শহীদ আব্দুল্লাহর পিতা আবদুল জব্বার বলেন, আমার ছেলে ১৪ নভেম্বর ২০২৪-এ শহীদ হয়। আমরা চাই আর যেন কোনো স্বৈরাচার এ দেশে ফিরে না আসে। ছাত্রশিবিরের সংগ্রাম সফল হোক এই দোয়া করি।
এরপর জাহিদুল ইসলাম ২০১৬ সালের ৪ আগস্ট নিখোঁজ হওয়া বেনাপোল পোর্ট থানা ছাত্রশিবিরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেজোয়ান আহমেদের পরিবারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। রেজোয়ানের বাবা কান্না জড়িত কণ্ঠে অভিযোগ করে জানান, তৎকালীন বেনাপোল পোর্টথানার নুর আলম নামে এক এসআই আমার ছেলেকে তুলে নিয়ে যায়। আজও কোনো খোঁজ পাইনি। প্রতিদিন অপেক্ষা করি আমার ছেলে কখন ফিরে আসবে। আমরা এর বিচার চাই। ছেলে হারানোর যন্ত্রণা শুনে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ছাত্রশিবির সভাপতি।
তিনি পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দিয়ে বলেন,আমরা রেজোয়ানের জন্য লড়াই করে যাব। ইনশাআল্লাহ, সুবিচার একদিন হবেই। এরপর তিনি নিখোঁজ রেজোয়ান ও তার পরিবারের জন্য মোনাজাত করেন।
এসময় তার সফরসঙ্গী হিসাবে ছিলেন, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও যশোর অঞ্চল পরিচালক গোলাম জাকারিয়া, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আহমদ ইব্রাহিম সামীম, যশোর জেলা (পূর্ব) সভাপতি মোল্লা মো. আশিকুর রহমান, পশ্চিম জেলা সভাপতি ইসমাইল হোসেন, সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, শহর সেক্রেটারি উবায়দুল্লাহ এবং জেলা নেতৃবৃন্দ মিনারুল ইসলাম ও খালিদ ইবনে খলিল উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বেনাপোল পোর্ট থানা আমীর রেজাউল ইসলাম, সিটি কলেজ ছাত্রশিবির সভাপতি আরাফাত হোসেন, থানা সভাপতি মাহাদী হাসান, সেক্রেটারি আশরাফুল ইসলাম রনি এবং শার্শা উপজেলা সভাপতি হাদিউজ্জামান জুয়েলসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

