শনিবার, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৮শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

বেনাপোল-নড়াইল- রেল লাইন চালু হবে আগামী জুনে-রেলপথ মন্ত্রী

আরো খবর

নড়াইল প্রতিনিধি:রেলপথ মন্ত্রী মোঃ নুরুল ইসলাম সুজন এমপি বলেছেন, ভাঙ্গা থেকে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী এবং নড়াইলের লোহাগড়া ও সদর উপজেলা হয়ে যশোরের সিঙ্গিয়া পর্যন্ত ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ রেল লাইন ২০২৪ সালের জুন মাসের মধ্যে চালু হবে।

এ প্রকল্পের আওতায় প্রথম ফেইজে ঢাকার কমলাপুর থেকে শুরু হয়ে পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত রেললাইন স্থাপন করা হয়েছে। এ অংশের নির্মান কাজ প্রায় শেষ হতে চলেছে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রী রেল চলাচলের জন্য উদ্বোধন করবেন বলে আশাকরা যাচ্ছে। শনিবার (১০ জুন) দুপুরে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের মধুমতি নদী শাসন প্রকল্প ও মধুমতি নদীর ওপর নির্মানাধীন রেল সেতু পরিদর্শন শেষে মধুমতি আর্মি ক্যাম্পে আয়োজিত এক প্রেসব্রিফিং এ তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের প্রধান সমন্বয়ক মেজর জেনারেল এ কে এম রেজাউল মজিদ (এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি), ভারপ্রাপ্ত উপ-প্রধান সমন্বয়ক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাঈদ আহমেদ (এনডিসি,পিএসসি), প্রকল্প ব্যবস্থাপক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ শামসুল আলম (পিএসসি), প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আফজাল হোসেন, নড়াইল জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরীসহ প্রকল্পের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে রেলপথ মন্ত্রী ভাঙ্গা থেকে যশোরের সিঙ্গিয়া পর্যন্ত (দ্বিতীয় পর্যায়ের) রেললাইন স্থাপন কাজের উদ্বোধন করেন। পরে মধুমতি আর্মি ক্যাম্পের সম্মেলন কক্ষে নড়াইল জেলা প্রশাসকসহ পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, এ প্রকল্পের আওতায় প্রথম ফেইজে ঢাকার কমলাপুর থেকে রেললাইন শুরু হয়ে পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় ফেইজে ভাঙ্গা থেকে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা হয়ে নড়াইলের লোহাগড়া ও সদর উপজেলার ওপর দিয়ে যশোরের সিঙ্গিয়া জংশনের সাথে মিলিত হবে এ রেললাইন। ভাঙ্গা থেকে যশোর পর্যন্ত থাকবে মোট ১০টি স্টেশন। এরমধ্যে ৭টি স্টেশন নতুন ভাবে নির্মিত হচ্ছে এবং ২টি স্টেশনের পুণঃনির্মান কাজ চলমান রয়েছে। ভাঙ্গা থেকে যশোর পর্যন্ত ৩১টি ব্রিজ এবং ১৬৮টি কালভার্ট ও আন্ডারপাস রয়েছে। সবমিলিয়ে ৮০কিলোমিটার রেল লাইন স্থাপনে ব্যয় হবে ১০ হাজার ৫শ’ কোটি টাকা। দ্বিতীয় ফেইজের শতকরা ৭০ ভাগ সার্বিক নির্মান কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃক নিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (সিআরসি) এ রেলরাইনের নির্মান কাজ বস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের পরামর্শক হিসেবে নিয়োজিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত কনস্ট্রাকশন, সুপারভিশন, কনসালটেন্ট (সিএসসি) এর অধীনে ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের সদস্যগণ (কর্মকর্তা ও কর্মচারী) এবং দেশি-বিদেশি অভিজ্ঞ পরামর্শকগণ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

 

আরো পড়ুন

সর্বশেষ