একাত্তর প্রতিবেদক
বেনাপোল নো ম্যান্স-ল্যান্ডে দু-দেশের কাস্টমস বন্দর ও ব্যবসায়ী নেতাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেনাপোল কাস্টম হাউজের কমিশনারের নেতৃত্ব মঙ্গলবার দুপুর ১২ টার সময় বেনাপোল পেট্রাপোল নো-ম্যান্স ল্যান্ড এলাকায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বেনাপোল বন্দরের ওপারে পেট্রাপোল বন্দরের কালিতলা পাকিং এ বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় দাড়িয়ে থাকা ৮ হাজার ট্রাকের সমস্যা নিয়েই দু দেশেরে ব্যবসায়ীক নেতা, কাস্টমস ও বন্দর কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা হয়েছে।
এই বৈঠকে ভারতের অংশে উপস্থিত ছিলেন পেট্রপোল কাস্টমসের সহকারী কমিশনার, বনগা পৌরসভার মেয়র গোপাল সেট, বন্দর কর্মকর্তারা। বাংলাদেশের ছিলেন বেনাপোল কাস্টমস হাউসের যুগ্ম- কমিশনার আব্দুল রশিদ মিয়া, উপ-কমিশনার অনুপম চাকমা, বেনাপোল বন্দর উপ পরিচালক আব্দুল জলিল, বেনাপোল সি এন্ড এফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন, সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক লতা, বেনাপোল সিএন্ড এফ এজেন্ট স্টাফ এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক সাজেদুর রহমানসহ ব্যবসায়ী নেতারা। এসময় বেনাপোল ও পেট্রাপোল বন্দরের নানা সমস্যা সমাধানের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক আব্দুল জলিল বলেন, কালিতলা পার্কিং এর যে ট্রাকগুলো বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় দাড়িয়ে আছে । ভারতীয় বন্দর ও পৌরসভা আন্তরিক হয় তাহলে ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবেন। বেনাপোল স্থল বন্দরের প্রতি দিন ৭০০ ট্রাক নেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে।
বেনাপোল সি এন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন জানান, ভারতের কালিতলা পার্কির ও সি ডাব্লিউ সি তে এক মাস একটা পন্যবাহী আমদানি ট্রাক দাড়িয়ে থাকলে প্রতিদিন ২ হাজার টাকা করে ডেমারেজ দিতে হয় এতে করে ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ব্যবসায়ীরা ,এখানে দু-দেশের কাস্টমস বন্দর কর্মকর্তারা আপনারা একটু এবিষয়টা গুরুত্ব সহকারে দেখবেন, তা নাহলে এই বন্দর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে ব্যবসায়ীরা।
বেনাপোল কাস্টমস হাউসের যুগ্ম-কমিশনার আব্দুল রশিদ মিয়া জানান, বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনারের নেতৃত্ব আজ এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। কিভাবে সমস্যার সমধান করা যাই সেই বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়ে আশা করি অতি দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।

