প্রতিনিধি
যশোরের মণিরামপুরের ঘিবা গ্রামের গৃহবধূ ধর্ষণ চেষ্টা মামলার নারাজি আবেদন গ্রহণ করে দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ও বাকি ৫ আসামির বিরুদ্ধে সমন জারির আদেশ দিয়েছে আদালত। বুধবার নারী ও শিশু নির্যাতিন দমন ট্রাইব্যুনাল ২ এর (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক নিলুফার শিরিন শুনানী শেষে এ আদেশ দিয়েছেন।
গ্রেফতারি পরোয়ানার আসামিরা হলো ঘিবা গ্রামের জহির খার ছেলে জামশেদ, মৃত কুবায়েত আলীর ছেলে টগর এবং সমনের আসামিরা হলো আব্দুল খালেকের ছেলে মামুন, রশিদের ছেলে জাকির, ইসহাকের ছেলে মারুফ হোসেন, তরফাত আলীর ছেলে মশিয়ার রহমান ও সবুর বিশ্বাসের ছেলে সালাম।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ওই গৃহবধূর স্বামী বিদেশে থাকেন। আসারিমা এলাকার বখাটে লোকজন। আসামি জমশেদ ও টগর প্রায় ওই গৃহবধূকে উত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দিত। চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি রাতে আসামিরা বাড়িতে এসে ডাকাডাকি করে বলে তার স্বামী বিদেশ থেকে দুইটি লাগেজ পাঠিয়েছে। এ কথা শুনে ওই গৃহবধূ ঘরের দরজা খোলার সাথে সাথে জামশেদ ও টগর ঘরের মধ্যে ঢুকে ঝাপটে ধরে। অন্য আসামিরা বাইরে দাড়িয়ে পাহারা দিচ্ছিল। চিৎকারে পাশের রুমে থাকা ছেলে ঘুম থেকে উঠে চিৎকার শুরু করলে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে আসামিরা হুমকি-ধামকি দিয়ে চলে যায়। এব্যাপারে থানায় অভিযোগ দিলে মামলা গহণ না কারয় তিনি ১৭ ফেব্রুয়ারি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। এদিন বিচার অভিযোগটি গ্রহণ করে ডিবি পুলিশকে তদন্তের আদেশ দেয়। তদন্ত শেষে ঘটনার সত্যতা না পেয়ে আসামিদের অব্যহতির সুপারিশ করা হয়। মামলার বাদী ওই গৃহবধূ আদালতে তদন্ত প্রতিবেদনের উপর নারাজি আবেনদ করেন। গতকাল বুধবার নারাজি আবেদনের উপর শুনানী শেষে বিচারক ২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ও বাকি ৫ জনের বিরুদ্ধে সমন জারির আদেশ দিয়েছেন। #

