মণিরামপুর প্রতিনিধি:যশোরের মণিরামপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের পাতন গ্রামে জমি জায়গা বিরোধের জের ধরে কাধি পড়া ষাট টা কলা গাছ কর্তন ও জোর পূর্বক জমি দখল দেওয়ার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে মণিরামপুর থানায় একটি অভিযোগ হয়েছে। স্থানীয়রা জানায় ,শফিয়ার রহমান পাতন মৌজায় ৩০২ নং দাগে ক্রয় সূত্রে ২২ শতক জমি ২০১৪ সাল থেকে ভোগ দখল করে আসছে। মণিরামপুর থানার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মৃত আমজাদ হোসেন এর ছেলে শফিয়ার রহমান বাদী হয়ে মণিরামপুর থানায়, মৃত রজব আলীর ছেলে আসাদুজ্জামান (৪২) এর বিরুদ্ধে লিখিতভাবে গত ৩ জুন শনিবার একটি অভিযোগ দায়ের করেন। মণিরামপুর থানাধীন পাতন মৌজার মোঃ আঃ বারিক ও তার ভাইদের নিকট হইতে ২২ শতক জমি দীর্ঘ ২৫ বছর পূর্বে ক্রয় করিয়া ভোগ দখল করিয়া আসতেছে। উল্লেখিত বিবাদী আসাদুজ্জামান, প্রায় দুই বছর পূর্বে একই মালিকের নিকট হইতে জমি ক্রয় করে।
যার কারণে উক্ত জমিতে আসাদুজ্জামান আসিয়া জোর করে জমি দখল করার পাঁয়তারা করিতে থাকে। উক্ত বিষয় নিয়ে অনেক বার সালিশ মীমাংসা করিলেও মানে না। যার কারণে আমি বিজ্ঞ আদালত একটি মামলা দায়ের করি উক্ত মামলাটি এখনো চলমান রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা বাইজিদ হোসেন বলেন,গত ০৩ জুন আনুমানিক দুপুর ২ ঘটিকার সময় আসাদুজ্জামান জমিতে আসে, জমির সীমানার বেড়া ও কলাগাছ কাটিয়া ফেলে। এ সময় শফিয়ার রহমান কে ধারালো দা নিয়া খুন করে ফেলবে বলিয়া হুমকি দেয়। এবং বিভিন্ন ভয়-ভীতি প্রদান করে। পূর্বেও তিন বার আসাদুজ্জামান জমিতে আসে বেড়া ভাজ্ঞে ফেলেছে। গত ১০জুন শনিবার রাতের আধারে আবারও কলা গাছ কর্তন করে।
প্রত্যক্ষদর্শী শহিদুল ইসলাম বলেন, আমি দেখলাম আসাদুজ্জামান শফিয়ারকে গালিগালাজ ও হুমকি দেচ্ছে। জমিটা শফিয়ার রহমান অনেকদিন ধরে ক্রয় সূত্রে ভোগ দখল করে আছে।শনিবার রাতে কলা গাছ হয়তো আসাদুজ্জামান কেটেছে। সকালে আমরা দেখি সব গাছ কেটে ফেলা হয়েছে।
এ বিষয়ে আসাদুজ্জামান বলেন, আমি আমার জায়গার গাছ কেটেছি। আমার নামপত্তন দলিল সব কিছুই আছে।আমি অবৈধ ভাবে কিছুই করিনি।

