মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি:মণিরামপুরে পল্লীতে দুই কৃষকের সাতটি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার খড়িঞ্চী গ্রামের মৃত নিমু দফাদারের ছেলে আব্দুস ছালাম দফাদারের বাড়ীতে এঘটনা ঘটে। এঘটনায় আব্দুস ছালাম দফাদার বাদী হয়ে মঙ্গলবার রাতে মণিরামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। একের পর এক গরু চুরির ঘটনায় এলাকাবাসীর মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আব্দুস ছালাম দফাদার বলেন, রাতে তার গোয়ালে দুইটি গাভী ও একটি এড়ে গরু গোয়ালে খাবার দিয়ে তালাবদ্ধ রেখে ঘুমাতে যাই। সকালে উঠে দেখি গোয়াল ঘরের দরজা খোলা। কাছে গিয়ে ঘর শূন্য দেখতে পাই। আমার তিনটি গরুর মূল্য প্রায় আড়াই লাখ টাকা। আমি একজন সাধারণ কৃষক। এই চুরির ঘটনায় আমি এখন দিশেহারা।
অপরদিকে, ১৩ মে রাতে উপজেলার কাশিপুর গ্রামের আব্দুল সাত্তার সরদারের ছেলে ইমরান হোসেন তার গরু পরিচর্যা শেষে গোয়াল ঘরে তুলে ঘুমিয়ে পড়ে। ওইদিন রাতের কোন এক সময় সংঘবদ্ধ চোরেরা তার গোয়াল ঘর থেকে তিনটি ফ্রিজিয়ান ক্রস গাভী ও একটি এড়ে গরু চুরি করে নিয়ে যায়। এতে তার পাঁচ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে। এতে উপার্জনের অন্য উপায় না থাকায় সে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। গরু চুরির ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ইমরান হোসেন বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
তবে অভিযোগ করেও কোনো ফল পাননি ভুক্তভোগীরা । চোরদের ধরতে পারেনি পুলিশ।
এ ব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্ত ইমরান হোসেন বলেন, আমি গরু পালন ও সামান্য কৃষি কাজ করে সংসার চালাই। আমার চারটি গরু চুরি হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছি। এই ক্ষতি আমি কিভাবে পুরণ করবো বুঝতে পারছিনা। প্রশাসনের হস্থক্ষেপ কামনা করছি। সেই সাথে এলাকার মানুষদের সচেতন হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।
মণিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ এবিএম মেহেদী মাসুদ বলেন, দুই বাড়ির সাতটি গরু চুরি হওয়া সত্যিই দুঃখজনক। লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। গরুগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। এছাড়াও চুরি বন্ধে পুলিশের পাশাপাশি এলাকাবাসীকেও সচেতন হতে হবে।

